চাপরে মুসলিম যুবকের হিন্দু পরিচয়ে প্রেম নাবালিকার সঙ্গে, পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ

20

উদয়াদিত্য রায়: চাপরের শালকোচায় লাভ জিহাদের ঘটনা। হিন্দু পরিচয়ে হিন্দু পরিবারের থাকার অভিযোগ মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। শালকোচা পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ আন্তর্জাতিক হিন্দু পরিষদ, জাতীয় বজরং দল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের। থানায় গিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ।

মইনুল শেখ নামে এক যুবক নিজেকে হিন্দু পরিচয় দিয়ে শালকোচার মহিষবাথানের এক হিন্দু পরিবারে আশ্রয় নেয়। নিজেকে রিজু সরকার বলে পরিচয় দেয় সে। মাস দুয়েক ওই হিন্দু পরিবারে বাড়ির ছেলের মতোই থাকত রিজু। আর এই দুমাসে ওই পরিবারের নাবালিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় রিজু। বিপত্তি বাধে তখনই যখন পাড়া পড়শিরা রিজুকে সন্দেহের নজরে দেখতে শুরু করে। তারা বিষয়টি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থও হয়। চাপে পড়ে রিজু সত্যিটা প্রকাশ করে। রিজুর স্বীকারোক্তির পরও পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে তেমন মাতা ঘামায়নি বলে অভিযোগ। এমনকি তদন্তের খাতিরে ওই হিন্দু পরিবারে তল্লাশিও করেনি বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে গিয়ে কোনরকম তদন্ত না করায় শালকোচা পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বজরং দল সহ আন্তর্জাতিক হিন্দু পরিষদ। থানা ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানান এলাকাবাসীও।

জাতীয় বজরং দলের অভিযোগ, ছেলেটির এমন কর্মকাণ্ড জানার পরও পুলিশ নির্বিকার। তদন্ত করে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি বজরং দলের।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক হিন্দু পরিষদের দাবি, শুধু ইউসিসি বিল নয়, লাভ জিহাদ আইনও দ্রুত আনুক রাজ্য সরকার।
মইনুল শেখ ওরফে রিজু সরকার যে হিন্দু পরিবারে আশ্রয় নিয়েছিল, ওই বাড়িতে বেশ কয়েকটি সিসি ক্যামেরাও নাকি লাগায় রিজুই। কিন্তু এত সিসি ক্যামেরা লাগানোর পিছনে কী কারণ তা অবশ্য জানা যায়নি। এমনকি, নাবালিকার মায়ের অভিযোগ গাড়ি কেনার নামে রিজু তাদের কাছ থেকে ২লক্ষ টাকা নেয়। অথচ বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরও পুলিশ এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন নাবালিকার মা।

প্রশ্ন ওঠে, রিজুর আসল পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার পর পুলিশ কী ব্যবস্থা নেবে? রাজ্যে লাভ জিহাদের মতো ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। একাধিক বিয়ে রুখতে ইউসিসি বিল আনলেও লাভ জিহাদ বন্ধে আইন কী আনবে রাজ্য সরকার?