এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস ককালি পুত্রের

11

নিউজ ডেস্ক: সংসদে তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অন্যতম সূত্রধর ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষকে এবার বারাসাত বিধানসভা কেন্দ্রে লড়াইয়ের জন্য নাকি টিকিট চেয়েছিলেন কাকলি। এবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠালেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। মমতা-সহ ৫ জনকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন তিনি। এই আইনি নোটিস দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। সেটা না করা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে এই ধরনের মন্তব্য আর যাতে না করা হয়, সেই দাবিও জানানো হয়েছে।

ছাব্বিশের নির্বাচনে বারাসাত বিধানসভা আসনে বৈদ্যনাথের জন্য কাকলি টিকিট চেয়েছিলেন বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূলের এই নেতা-নেত্রীরা। ছেলেকে টিকিট না দেওয়াতেই কাকলি রাজনৈতিক অবস্থান বদলান বলে তাঁরা তোপ দাগেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আইনি নোটিস পাঠালেন কাকলি-পুত্র। মমতা মিথ্যে কথা বলছেন বলে দাবি করলেন বৈদ্যনাথ।
কাকলির ছেলের পাঠানো আইনি নোটিসের তালিকায় রয়েছেন তিন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায় এবং মহুয়া মৈত্র। আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে সোনালি গুহকেও। মিথ্যা, ভ্রান্ত এবং অপপ্রচারমূলক তথ্য দেওয়ার অভিযোগ করেছেন বৈদ্যনাথ ঘোষ।

অভিযোগ, এমন প্রচার হয়েছে যে, বারাসাত বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট চেয়েছিলেন বৈদ্যনাথ। সেটা না পাওয়ায় তাঁর মা কাকলি ঘোষ দস্তিদার আলাদা করে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছেন। কয়েকদিন আগেই তৃণমূলের চিহ্নে জেতা ২০ জন সাংসদ আলাদা করে চিঠি দিয়েছেন লোকসভার স্পিকারকে। তাঁরা এনডিএ-র সঙ্গে থাকতে চেয়েছেন। এই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বৈদ্যনাথ। তাঁর দাবি, তিনি কখনও কোনও মনোনয়ন চাননি। তাঁর কোনও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল না। বরং তাঁকে আইপ্যাক থেকে ভোটে লড়ার বিষয়টি ভাবতে বলা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন বৈদ্যনাথ।