ই-রিক্সা চালকদের স্বস্তি, শহরের রাস্তায় চলবে মোটর চালিত রিক্সা

34

স্টাফ রিপোর্টার: অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন গুয়াহাটির ই-রিক্সা চালকরা। ই-রিক্সা সম্পূর্ণ বৈধ। পর্যবেক্ষণ গৌহাটি হাইকোর্টের। ফলে এখন থেকে শহরের রাস্তায় নির্দ্বিধায় চলতে পারবে ই-রিক্সা।

আগে শহরের রাস্তায় চলত প্যাডেল রিক্সা। এতে অনেকটাই কষ্ট হত রিক্সা চালকদের। এরপর কষ্ট কমাতে রিক্সায় মোটরের ব্যবহার শুরু করেন চালকরা। কিন্তু মোটর চালিত রিক্সা শহরের রাস্তায় চলতে পারবে না বলে নির্দেশ জারি করেছিল গুয়াহাটি পুরনিগম। ২০২২ সালে এমনই এক নির্দেশ জারি করে জিএমসি দাবি, ই-রিক্সা বৈধ নয় এবং ৭দিনের মধ্যে রিক্সা থেকে মোটর খুলে ফেলতে হবে চালকদের। অন্যথা তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে জিএমসি কর্তৃপক্ষ। জিএমসির এই নির্দেশে বিপাকে পড়েন রিক্সা চালকরা।

ব্যাটারি চালিত রিক্সার বৈধতা প্রমাণ করতে রিক্সা চালকরা আদালতের দ্বারস্থ হন। আবেদনকারীর যুক্তি, জিএমসি (GMC)-র এ ধরনের আদেশ জারির কোনো এখতিয়ার নেই। কারণ বৈদ্যুতিক মোটরযুক্ত রিক্সাগুলো ‘সেন্ট্রাল মোটর ভেহিকেলস রুলস, ১৯৮৯’-এর ২(ইউ) বিধির আওতাভুক্ত। তবে পরিবহন বিভাগের অবস্থান থেকে এটা প্রমাণিত যে, বৈদ্যুতিক মোটর সংযোজন করে রূপান্তরিত এই রিক্সাগুলো ‘মোটরযান’-এর সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হবে না। কারণ এগুলো ১৯৮৯ সালের নিয়মানুসারে ২(সিবি) আইনে উল্লেখ করা মতে ‘ই-রিকশা’ কিংবা ‘ব্যাটারি-চালিত যানবাহন’-এর সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

জিএমসির ই-রিক্সা বন্ধের নির্দেশকে খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, ই-রিক্সা কখনই বেআইনি হতে পারে না। তবে জিএমসি চাইলে ই-রিক্সা থেকে কর আদায় করতে পারে। এমনটাও জানিয়ে দেয় আদালত। ফলে গৌহাটি হাইকোর্টের এই রায়ে অনেকটাই স্বস্তি পেলেন গুয়াহাটির ই-রিক্সা চালকরা। এখন থেকে শহরের রাস্তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে ই-রিক্সা।