রামমন্দিরের পর বিতর্কে উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর করিডোর (Mahakaleshwar Corridor)

8

নিউজ ডেস্ক: রামমন্দিরের তহবিলের টাকা তছরুপের পর মধ্যপ্রদেশের মহাকালেশ্বর করিডোর (Mahakaleshwar Corridor) বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের বিরুদ্ধে।


শিবরাজ সিং চৌহানের মন্ত্রীসভায় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন মোহন যাদব, শেষ নির্বাচনে বিজেপি জেতার পর তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হয়। উজ্জয়িনীর প্রস্তাবিত করিডোর (Mahakaleshwar Corridor) সংলগ্ন এলাকায় একরের পর একর জমি কিনেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর নিজের ও পরিবার এবং দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের নামেও জমি কেনার অভিযোগ।


মহাকালেশ্বর করিডোরের আশপাশে মোহন যাদবের পরিবারের ১০৮টি জমি রয়েছে বলে তথ্যপ্রমাণ দিয়ে অভিযোগ এনেছেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি জিতু পাটোয়ারি। মোহন-পরিবারের মালিকানায় রয়েছে মোট ১৭৯ একর জমি। জমি কেনা হয়েছে মোহনের স্ত্রী, ছেলে, বোন, ভাই, জামাই, পুত্রবধূ, শ্যালিকা, শ্যালিকার স্বামীর নামে।


২০২১-২৩ সময়পর্বে মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন মোহন যাদব কিনেছিলেন ৮৫টি প্লট। ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় সরকার মহাকালেশ্বর মন্দিরকে কেন্দ্র করে উজ্জয়িনী মাস্টার প্ল্যান ঘোষণা করেছিল। তারপর ওই অঞ্চলের জমির দাম বাড়তে থাকে হু হু করে। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর করিডোরের আশপাশে ১৩৭টি জমি কেনা হয়েছে মোহনের পরিবারের নামে। এই তালিকায় রয়েছেন তাঁর তুতোভাই এবং মোহনের আবাসন সংস্থা।


জিতু পাটোয়ারির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই মোহন যাদব যেখানে তাঁর নিজের জমি রয়েছে সেখানে নতুন সড়ক, রাজ্য সড়ক, হোটেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। এখানেই শেষ নয়, মহাকালেশ্বর করিডোরের আশপাশে কৃষিজমির চরিত্রও বদলে ফেলা হয়েছে। প্রসঙ্গত ২০২৮ সালে মহাকুম্ভ হবে উজ্জয়িনীতেই।


এপ্রসঙ্গে সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব বলেছেন, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন করবে বিজেপি, সেজন্যই এসব অভিযোগ বিজেপির সূত্রেই পাওয়া গেছে। ২০২৯-এর আগে সরানো হবে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে, এসব তারই নীল নকশা।


কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ জয়রাম রমেশ বলেছেন, শোনা যাচ্ছে মধ্যপ্রদেশের এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসব তথ্য দিয়েছেন। যদিও গোটা বিষয় নিয়ে এখনও বিজেপির তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।