পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: রাজ্য সভাপতি-সহ তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা। ঘন্টাখানেকের মধ্যেই বিধানসভায় চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেখানে বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের সঙ্গে বৈঠক করলেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ঘরেই বৈঠক হয়। একঘন্টার এই বৈঠকে বিদ্রোহী শিবিরের একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন।
ইস্তফা দেওয়ার পর বিধানসভায় যান চন্দ্রিমা। বিধানসভার গেটে তাঁকে স্বাগত জানান সন্দীপন-সহ তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়করা, কারণ তিনি সিনিয়র নেত্রী । এরপর বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নব তৃণমূলের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
আজ ১২ টা নাগাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য । মেট্রোপলিটানের ভবন দখল নিয়ে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ও ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র দড়ি টানাটানির মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আনুগত্য ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই অভিমানে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সব পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তৃণমূলের অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি নেন চন্দ্রিমা। অর্থাৎ ব্যাংকের কোন কাগজে তিনি আর সই করবেন না বলেও জানিয়েছেন।
কালীঘাটে আর তিনি যাবেন না । আজ বিধানসভায় গিয়ে বেশ কিছু নথি জমা দেন চন্দ্রিমা। তবে বিধানসভায় গিয়ে ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।