গাড়িতে ডিম ছোড়া নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়

35

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:শীতলকুচিতে বেশ কয়েকদিন আগে মৃত্যু হয় মণ্টু মিয়ার। পরিবারের অভিযোগ মন্টু মিয়াকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ প্রথমে অভিযোগ গ্রহণ করতে চাইছিল না বলে দাবি করেছে মণ্টুর পরিবার। তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই মিনাক্ষী গিয়েছিলেন শীতলকুচিতে। পাশাপাশি মুম্বইতে কাজ করতে গিয়ে শীতলকুচির এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, তাঁর দেহ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও পুলিশ সহযোগিতা করেনি। এই দুই ঘটনার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার কোচবিহারের জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও কর্মসূচির আয়োজন করেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। কিন্তু তার আগেই বাজার এলাকায় তাঁর গাড়়িতে ডিম ছোড়া বলে অভিযোগ। অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছেন মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। আর এই ঘটনায় আজ কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এর আইনজীবী অভিষেক হালদার। আইনজীবী- র দাবি, শীতলকুচিতে দলের মৃত কর্মী মন্টু মিয়ার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের গাড়িতে ডিম ছোড়া হয়। এতে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তমামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। জানিয়েছেন, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নিয়ম মেনেই এই মামলার শুনানি হবে।

শীতলকুচিতে আক্রান্ত হওয়ার সময় ফেসবুক লাইভ করেছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। পরে কোচবিহারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ডিম ছোড়া নিয়ে এর আগে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। মঙ্গলবার সেই মামলার দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ হয়।‌ আদালত জানায়, এই ধরনের অনেক মামলা হচ্ছে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনেই তার শুনানি হবে। এ বার মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ও ডিম ছোড়ার ঘটনার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ মামলা দায়ের হওয়ার পর ক্রম তালিকা অনুযায়ী মামলার শুনানি হবে।