নিউজ ডেস্ক: অসমে ডিম সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি নিয়ে সরব শিবসাগরের বিধায়ক অখিল গগৈ। তাঁর মতে, সিন্ডিকেট ট্যাক্স বা গুন্ডা ট্যাক্সের জন্যই অসমে বিভিন্ন সামগ্রীর দাম বেড়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-অসম সীমানায় অবৈধ গুন্ডা ট্যাক্স নেওয়া হচ্ছে, অভিযোগ রাইজর দলের বিধায়কের। ডিমের দাম হওয়া উচিত ৫ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ৬ টাকা, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে সাড়ে আট টাকা থেকে ১০ টাকায়, বলেছেন অখিল গগৈ। ডিমের ৫ টাকা ৭৫ পয়সা দাম ধার্য করেছে জাতীয় ডিম সমন্বয় কমিটি, দাবি অখিলের।
অখিল গগৈয়ের অভিযোগ, যেসব ট্রাক বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে অসমে ঢোকে তাদের কাছ থেকে শ্রীরামপুর ও বক্সিরহাট গেটে অবৈধ তোলা আদায় করা হয়। যার মূল্য চোকাতে হয় শেষপর্যন্ত আমজনতাকে। তিনি বলেন, গুয়াহাটিতে ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকায়, আর জাতীয় ডিম সমন্বয় কমিটি এর দাম বেঁধে দিয়েছে ৫ টাকা ৭৫ পয়সা। এর মূল কারণ, যখনই ট্রাক অসমে ঢোকে প্রতিটি ডিম পিছু ৩ টাকা করে গুন্ডা ট্যাক্স দিতে হচ্ছে।
অসমে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির জন্য অখিল নিশানা করেছেন অর্থমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বরুয়া ও বিটিসি প্রধান হাগ্রামা মহিলারীকে। অখিলের অভিযোগ, গুন্ডা ট্যাক্সের জন্য শুধু ডিমেরই দাম বাড়েনি, বরং অসমে এইসঙ্গে দাম বেড়েছে পোল্ট্রির মুর্গি, মাছ, ফল, চাল, ডালের। এমনকি যেসব সামগ্রী অসম থেকে অন্য রাজ্যে যাচ্ছে যেমন সুপারি, তাতেও সিন্ডিকেট ট্যাক্স দিতে হচ্ছে।
অখিল গগৈ বলেছেন, অসম থেকে সুপারি নিয়ে কোনও ট্রাক অন্য রাজ্যে গেলে শ্রীরামপুর বা বক্সিরহাট গেটে অবৈধ সিন্ডিকেট ট্যাক্স দিতে হচ্ছে প্রতি কেজিতে ৬০ টাকা। দিল্লির সঙ্গে তুলনা করে অখিল বলেন, দিল্লিতে একটা ডিমের দাম সাড়ে ছয় টাকা আর অসমের মানুষকে ডিম কিনতে হচ্ছে ১০ টাকায়।