নিউজ ডেস্ক: ৩১ মাৰ্চ, ২০২৬ পর্যন্ত অসমের মোট ঋণ ১ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকা। এই কয়দিনে অসম সরকার আরও ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। আরও ৩০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অসমের GSDP-র বৃদ্ধিহারের চেয়ে ঋণের হার বেশি।
শিবসাগরের বিধায়ক অখিল গগৈ বলেন, বৰ্তমানে অসমের GSDP-র বৃদ্ধিহার ৮ শতাংশ। কিন্তু ঋণের বৃদ্ধিহার গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশ। অৰ্থাৎ ৮ শতাংশ আয় হওয়ার বিপরীতে ২৫ শতাংশ ব্যয় হচ্ছে। ২০২১-২২ সালে ৪.১৬ শতাংশ GSDP-র বৃদ্ধি হারের বিপরীতে ঋণের হার ছিল ৩৯.৭ শতাংশ।
বিশদ তথ্য দিয়ে রাইজর দলের বিধায়ক বলেন, ২০২২-২৩ সালে ৮.৮৯ শতাংশ GSDP-র বৃদ্ধি হারের পাশাপাশি ঋণের হার ছিল ৪৪.৯ শতাংশ। ২০২৩-২৪ সালে ১৩.৩৩ শতাংশ ছিল GSDP-র বৃদ্ধিহার, উলটোদিকে ঋণের হার ছিল ৪৭.৪ শতাংশ।
এরপর অখিল গগৈ বলেন, এই বাজেটে ৩০.১২ শতাংশ সরকারের নিজস্ব রাজস্ব। বাকি ৫০.১৩ শতাংশ কেন্দ্ৰের। আর ঋণের ২০ শতাংশ আয়। রাজ্য সরকারের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি হয়নি। অসমের মোট অর্থের ৭০ শতাংশ কেন্দ্র ও ঋণ থেকে আসছে আর বিভিন্ন প্রকল্প ভোটের জন্য সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়াচ্ছে সরকার।
অরুণোদয়, নিযুত মইনা, নিযুত বাবু, প্ৰজ্ঞান ভারতী, জীবন প্ৰেরণা প্রকল্পে সুবিধাভোগীদের অর্থ দেবে সরকার। এসব প্রকল্প ভোটকেন্দ্রিক এবং এতে অসমের অর্থনীতির বিপন্ন হবে।
বাজেটের কড়া সমালোচনা করে অখিল বলেন, এই বাজেট আসলে ২০১৬-১৭ সালের উন্নয়নমালা বাজেটের কপি-পেস্ট। এই বাজেট অর্থমন্ত্রী জয়ন্ত মল্লবরুয়ার নিজের বাজেট নয়, বাজেটে অর্থমন্ত্রীর কোনও অস্তিত্বই নেই।