জেলা সফরে মমতা, দিল্লিতে ককরোচদের আন্দোলনে যাওয়ার কথাও মমতার, ব্রিগেড চলোর ডাক কংগ্রেসের

32

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: ২১ শে জুলাইকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচি।‌ একদিকে তারামণ্ডলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে মেয়ো রোডে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শহিদ মিনারে সভা কংগ্রেসের। বিজেপিকে ঠেকাতে ফের ময়দানে নামার ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অন্যদিকে ব্রিগেড সমাবেশের ডাক কংগ্রেসের। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের রিপোর্ট কেন চাপা হল? তা নিয়ে সুর চড়ালেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে সবার নজর ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। কারণ রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম বড় কর্মসূচি। তাও আবার ২১ জুলাইয়ের মতো কর্মসূচি। ভিড় হয়েছিল অপ্রত্যাশিত।‌

আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় প্রথম থেকেই ছিল আসল তৃণমূল। কারও নাম না করে ঋতব্রত শিবিরকে বার্তা দেন বিজেপিতে যাওয়ার । বলেন “যত যাবেন খুশি হব। যে স্থান শূন্য হবে, তা পূরণের জন্য আমার ছাত্র, যুব আছে।”

এরপরই যোগ করেন, “চোরগুলো বিজেপিতে চলে গিয়েছে। আর ফেরত নেব না। কর্মীরা সবাই আছে।”

শুধু তাই নয়, দলের প্রতীক নিয়ে যে টানাটানি চলছে তা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তুমি প্রতীক কাড়লে, আমি ছাড়ব না। আমাদের প্রতীক কাড়তে পারো না। গায়ের জোরে করছে। আমি সুপ্রিম কোর্ট অবধি যাব। আর নাহলে আমি তোমাদেরও সবটা কেড়ে নেব।”

শুধু তাই নয়, সংগঠনকে ফের চাঙ্গা করতে জেলায় যাওয়ার বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি জানান, ”ঘর ছেড়ে বেরতে হবে। রাস্তায় থাকতে হবে। আর তা জেলা, ব্লক থেকে শুরু হবে। আমরা সবাই জেলায় যাব।”

পাশাপাশি মমতা বলেন, “জেলে যাওয়ার জন্য আমরা তৈরি। কিছু যায় আসে না।” দিল্লিতে ককরোচদের আন্দোলনে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি।

পাশাপাশি শহিদ মিনারের মঞ্চ থেকে ব্রিগেড চলো- র ডাক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা দিবসের আগে একগুচ্ছ কর্মসূচিও ঘোষণা করেন তিনি। প্রদেশ সভাপতির ঘোষণা, “আগামী বছর ব্রিগেডে সভা করা হবে। ১৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটা দিন ঠিক হবে। ব্রিগেড সমাবেশে খোদ রাহুল গান্ধী উপস্থিত থাকবেন “।

তিনি জানান, “আগামী ৯ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের পথসভা হবে। শ্যামাপ্রসাদের বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিবাদ হবে, তারপর ১৫ আগস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে