পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা:কলকাতা থেকে জেলা, হোটেল, রেস্তরাঁর খাবারের মান কীরকম ? তার অভিযান চলছে প্রতিনিয়ত। আজ কলকাতার তিন শপিং মলের ফুড কোর্টে অভিযান চালাল পুরসভা ও খাদ্য দফতর। কসবার অ্যাক্রোপলিস মল, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের সাউথ সিটি মল ও হাইল্যান্ড পার্কের মেট্রোপলিস মল। প্রতিটি মলের রান্নাঘরে পৌঁছে যান আধিকারিকরা। সল্টলেকের সিটি সেন্টারেও তল্লাশি চলে। খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, কোন কোন উপকরণ দিয়ে খাবার তৈরি হচ্ছে, কীভাবে রান্না করা হচ্ছে? সব খতিয়ে দেখা হয়। মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার পেলেই ফেলে দেওয়া হচ্ছে বলে খবর।
খাদ্য দফতর ও পুরসভার প্রতিনিধিদল প্রথমে বাইপাসের ধারে হাইল্যান্ড পার্কের মেট্রোপলিস মলে যান। রান্নাঘরে ঢুকে খাদ্যসামগ্রী পরীক্ষা করে দেখেন। সূত্রের খবর, সবজি থেকে ফ্রিজের ভাত ও অন্যান্য খাবার পরীক্ষা করার পর ফেলে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অ্যাক্রোপলিস মল ও সাউথ সিটি মলের ফুড কোর্টে রান্নার জায়গাও ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখেন আধিকারিকরা। অ্যাক্রোপলিসের একটি রেস্তরাঁয় ছত্রাক ভর্তি মাংস পাওয়া গেছে বলে পুত্রের খবর। একটি নামী বাঙালি রেস্তরাঁর জমানো খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তাও ফেলে দেওয়া হয়।
বেশ কিছুদিন ধরেই কলকাতার একাধিক রেস্তরাঁয় খাবারের মান পরীক্ষার জন্য তল্লাশি চলছে। পাশাপাশি জেলাতেও একই অভিযান চলছে। খাদ্য দফতর ও পুরসভার যৌথ উদ্যোগে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এর আগে পার্ক স্ট্রিটের ছোট-বড় রেস্তরাঁ থেকে ধর্মতলার ডেকার্স লেনের প্রচুর দোকানে অভিযান চালিয়ে বেনিয়ম পেয়েছেন আধিকারিকরা। কোথাও মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরণ দিয়ে তৈরি খাবার, কোথাও ছত্রাক ভর্তি খাবার , কোথাও পচা খাবার। সব ফেলে দিয়ে সতর্ক করে নোটিস ধরানো হয়েছে।
আগামী দিনে রেস্তোরাঁ মালিকরা খানিকটা হলেও সতর্ক হবেন, একথা বলাই বাহুল্য।