নিউজ ডেস্ক: বিয়ের ১২ বছর পর স্বামীর হাতে খুন স্ত্রী। লখনউয়ের হুসারিয়া এলাকার ঘটনা। বিয়ের এক যুগ পেরিয়ে গেলেও সংসার জীবনে শান্তি ছিল না দম্পতির। একবছর ধরে তাই আলাদা ছিলেন দুজন। বেশ কিছুদিন আগে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছিলেন দিব্যা। অভিযুক্তের নাম মানস বাজপেয়ী। তাঁর স্ত্রী দিব্যা একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্ত্রীর কর্মস্থলে যান মানস। সেখানে গিয়ে বাইরে ডেকে আনেন স্ত্রীকে। বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন দুজন। আচমকাই গুলির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন দিব্যা। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় মানস। দিব্যাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২ কিমি দূরে হুসারিয়া এলাকার বাড়িতে পৌঁছয় অভিযুক্ত। হোয়াটসঅ্যাপে স্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র অভিযোগ তুলে স্টেটাস দেন।
তাতে লেখা ছিল, আজ আমি স্ত্রীকে খুন করলাম কারণ সে আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। এবার আমাকে নিজেকে শেষ করতে হবে এবং নিজের বোনকেও মারতে হবে। ওর বোন প্রজ্ঞা ও ভরত সব জানে।
পুলিশ জানিয়েছে যে মানস তার বোন শিবা বাজপেয়ীকেও গুলি করেছিল, যিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। মানসের এক প্রতিবেশীর মতে, ১২টার দিকে বাড়ি ফেরে মানস, খুব তাড়াহুড়ো করছিল এবং শরীর থেকে প্রচুর ঘাম ঝরছিল। পরে প্রতিবেশী তার হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস দেখে বাড়ির ভেতরে যান এবং মানসকেও মৃত অবস্থায় দেখতে পান। মামলাটি খতিয়ে দেখতে পুলিশের পাঁচটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। অপরাধের জায়গা ও আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।