নিউজ ডেস্ক: নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচন ঘিরে কংগ্রেস-বিজেপি নেতাদের পারস্পরিক দোষারোপ চলছে। অসম কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ আরও এককাঠি ওপরে গিয়ে বলেছেন, রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হলেই হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে জেলে যেতে হবে।
নির্বাচনী প্রচারে গৌরব গগৈই বলেন, রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঠিক পরের দিনই শর্মার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে এবং তিনি দাবি করেন যে, এরপর অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে কারাগারে যেতে হবে।
নির্বাচন কমিশন এবং ভোটার তালিকা নিয়ে কংগ্রেসের প্রচারের অংশ হিসেবে গৌরব আরও অভিযোগ করেন যে, নরেন্দ্র মোদীর সরকার ভোটচুরির মাধ্যমে গঠিত হয়েছিল।
ইদানীং কংগ্রেস বারবার ভোটচুরির অভিযোগ তুলেছে। তবে নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছে।
নগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রচার ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠার মধ্যেই গৌরব গগৈ এই মন্তব্য করেছেন। বিশেষ করে নগাঁও লোকসভা উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি সরকার এবং ব্যক্তিগতভাবে হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে কংগ্রেস।
সাম্প্রতিক নির্বাচনী সভাগুলোতে গৌরব বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনেছেন এবং দাবি করেছেন যে, ভোট চুরি করেই অসমে সরকার গঠন করেছে বিজেপি।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈকে কটাক্ষ করে বলেছেন যে, নির্বাচনী প্রচারে জেল নিয়ে আলোচনার পরিবর্তে ভোটারদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
গৌরবের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে হিমন্ত বলেন, নির্বাচন হওয়া উচিত রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ এবং ‘অরুণোদয়’-এর মতো সরকারি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মতো বিষয়কে কেন্দ্র করে।
হিমন্ত বলেন, নির্বাচন এলে জেল নিয়ে নয়, বরং ভোট নিয়েই ভাবা উচিত। নির্বাচন এলে রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ এবং অরুণোদয় নিয়েই কথা বলা উচিত। কিন্তু গৌরব গগৈ ও রাহুল গান্ধী নির্বাচন এলে শুধু জেলের কথা বলেন। জেলবন্দিরা তো আর ভোট দেয় না, জেলের কথা বলে কী লাভ? কটাক্ষ হিমন্তর।