নির্বাচন সদন অভিযান বিরোধী সাংসদদেরআটকাতেই বসে পড়লেন সোনিয়া-রাহুল-অখিলেশ-অভিষেক

54

নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানেশকুমারের ইস্তফার দাবিতে বিরোধী সাংসদদের নির্বাচন সদন অভিযান। সংসদ ভবনের মকরদ্বার থেকে বিরোধী প্রায় সব দলের সাংসদরা মিছিল করে এগোতে থাকেন নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরের দিকে। কিছুদূর এগোতেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। রাস্তায় বসে পড়েন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিরোধী সাংসদরা।
সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সংসদ ভবনের মকরদ্বার থেকে মিছিল শুরু করেন সোনিয়া-মল্লিকার্জুন খাড়গেরা। বিরোধীদের মিছিল আটকানোর জন্য প্রস্তুত ছিল পুলিশ এবং যথারীতি তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। পুলিশের বাধায় রাস্তায় বসে বিক্ষোভ শুরু করেন সাংসদরা। মিছিল থেকে স্লোগান উঠতে থাকে— ভোট চোর, গদি ছোড়।
বিরোধীদের নির্বাচন সদন অভিযান ঠেকাতে সকাল থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে দিল্লিতে। রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তায় মোতায়েন করা হয় তিন হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী। এর মধ্যে চারশো মহিলা পুলিশও আছে।
দিল্লির বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে অতিরিক্ত নজরদারির চলছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে সংসদ ভবন, পার্লামেন্ট স্ট্রিট, নির্বাচন কমিশন দফতরের কাছেও। সব জায়গায় বসানো হয়েছে ব্যারিকেড। সকাল থেকে লাঠি হাতে মোতায়েন নিরাপত্তাকর্মীরা।
কংগ্রেস সভাপতি ঘাড়গে বলেন, অবিচারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই। সংবিধান আমাদের সর্বজনীন ভোটাধিকার দিয়েছে আর সেটাই সরকার খর্ব করার চেষ্টা করছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সরকারের হাতের পুতুল হয়ে গিয়েছেন। মোদী-শাহ যা বলেন, সেটাই করেন জ্ঞানেশকুমার। এরকম চলতে থাকলে একনায়কতন্ত্রের সূচনা হবে।
মিছিলে পুলিশের বাধা পেয়ে সমাজবাদী পার্টির কয়েকজন সাংসদ ব্যারিকেডের ওপরে উঠে স্লোগান দিতে থাকেন। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অতীতেও অভিযোগ উঠেছে। ২০১৭, ২০১৯, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এবার তো পশ্চিমবঙ্গে কমিশন নির্লজ্জের মতো আচরণ করে বিজেপিকে জিতিয়েছে।