১০ বছরে অসমের ঋণ বেড়েছে ৩৪১ শতাংশ

115

নিউজ ডেক্স : দশ বছরে অসমের ঋণ বেড়েছে ৩৪১ শতাংশ। সর্বশেষ প্রকাশিত কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব ইন্ডিয়া (সিএজি বা ক্যাগ) রিপোর্টে ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ সময়পর্বে ভারতের সব রাজ্যের ঋণ বেড়েছে ১৯০ শতাংশ। সর্বোচ্চ ঋণের তালিকায় অসম রয়েছে তৃতীয় স্থানে।

১০৮ শতাংশ থেকে ৩৭৬ শতাংশ পর্যন্ত সব রাজ্যের ঋণের বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে রিপোর্টে…

গত দশ বছরে গুজরাটের ঋণ বৃদ্ধি ১০৮ শতাংশ আর সিকিমের ৩৭৬ শতাংশ

সিকিমের পরই তেলেঙ্গানা (৩৫৭ শতাংশ)

তৃতীয় স্থানে অসম (৩৪২ শতাংশ)

চতুর্থ স্থানে ছত্তীশগড় (৩০৫ শতাংশ)

প্রথম চারটি রাজ্যেরই দশ বছরে ঋণ বৃদ্ধি হয়েছে ৩০০ শতাংশের বেশি

উল্লেখিত দশ বছরের সময়কালে অভ্যন্তরীণ ঋণের হারও বেড়েছে অসমে। এবং অভ্যন্তরীণ ঋণই হল কোনও রাজ্যের ঋণের প্রধান উপকরণ। দেশের সব রাজ্যের অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়েছে ২০৫ শতাংশ, ২২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫২১ কোটি থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৮ লক্ষ, ৫৯ হাজার ৫২ কোটি। গত ১০ বছরে গোটা দেশের মধ্যে অসমের অভ্যন্তরীণ ঋণ বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ৪১৫ শতাংশ। অসমের পরেই ছত্তীশগড় (৩৬১ শতাংশ), তেলেঙ্গানা (৩৫২ শতাংশ) এবং কর্ণাটক (৩৪৭ শতাংশ)। অন্যদিকে সবচেয়ে কম অভ্যন্তরীণ ঋণ ঝাড়খণ্ডের (৫৯ শতাংশ), গুজরাট (১০১ শতাংশ) এবং ত্রিপুরা (১১৩ শতাংশ)।

কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে ঋণ গ্রহণের তালিকাতেও প্রথম দশে অসমের স্থান

১০ বছরে কেন্দ্রের থেকে অসমের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বেড়েছে ১৩৬৯ শতাংশ, এই তালিকায় অসমের স্থান ষষ্ঠ। সিএজি রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে অসমের ঋণ এবং দায়ে চিত্রে এটা স্পষ্ট যে সামগ্রিক ঋণ অনেকটা বেড়েছে এবং প্রয়োজন মেটাতে ঋণের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি।
২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দেশের ১৪টি রাজ্যের রাজস্ব খাতে ব্যয়ের চেয়ে রাজস্ব খাতে আয় কম। যার ফলে অর্থবর্ষে রাজস্ব ঘাটতি দেখা যায়। এই তালিকাতেও রয়েছে অসম।
২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে জিএসটি প্রণয়নের পর দেশের প্রায় সব রাজ্যের জিএসটি থেকে রাজস্ব সংগ্রহের হার ছাপিয়ে গেছে রাজ্যের নিজস্ব কর গ্রহণের সীমাকে। এই তালিকায় নেই মাত্র ছয়টি রাজ্য। এগুলি হল অসম, ছত্তীশগড়, গোয়া, ঝাড়খণ্ড, মণিপুর ও ত্রিপুরা।
অসম সহ দশটি রাজ্যের মোট ব্যয়ের দুই শতাংশের কম ভর্তুকি খাতে খরচ হয়েছে। ভর্তুকির এত কম হারের কারণ উপভোক্তার অভা এবং সীমিত বাণিজ্যিক অথবা জলসেচ ক্রিয়াকলাপ।