নাবালিকা কিশোরীকে অপহরণ করে দেহ ব্যবসা? অভিযুক্তকে উত্তম মধ্যম জনতার

24

নিউজ ডেস্ক: কাছাড়ে নাবালিকা কিশোরীকে অপহরণ করে দেহ ব্যবসা করানোর অভিযোগ। অভিযুক্তকে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিল উত্তেজিত জনতা।
মঙ্গলবার রাতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় কাছাড়ের লাঠিগ্রামের পারিজাত হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে। অভিযোগ, পারিজাত হোটেলের মালিক জয়ন্ত প্রসাদ দাস কাছাড়ের বাহাদুরপুরের এক নাবালিকাকে অপহরণ করে নিজের হোটেলে দেহ ব্যবসার কাজে জোর করে নিয়োজিত করে। মেয়েটি বেশ কয়েকমাস ধরেই নিখোঁজ ছিল বলে দাবি পরিবারের। এমনকি উধারবন্দ থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত ডায়েরিও করা হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজির পরও মেয়েটির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না বলে অভিযোগ।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে পারিজাত হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের একটি ঘর থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। উত্তেজিত জনগণ ভাঙচুর চালায় রেস্তোরাঁটিতে। সুযোগ বুঝে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্ত। তবে উত্তেজিত জনগণ অভিযুক্ত জয়ন্ত দাসকে আটক করে। তাঁদের অভিযোগ, অভিযুক্ত জয়ন্ত দাসের গাড়িতে ডক্টর লেখা রয়েছে, একজন চিকিৎসক হয়েও কী করে এমন জঘণ্য কাজ করতে পারেন তিনি, প্রশ্ন স্থানীয়দের।

তাঁদের আরও অভিযোগ, এর আগেও কয়েকবার ওই রেস্তোরাঁর নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এমনকি অভিযোগের ভিত্তিতে রেস্টুরেন্টটি বন্ধও করে দেওয়া হয়। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে রেস্তোরাঁটি ফের খুলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে কাছাড় পুলিশ। অভিযুক্ত জয়ন্ত দাসকেও নিজেদের জিম্মায় নেয় পুলিশ।

উল্লেখ্য, জয়ন্ত দাস লাঠিগ্রামে দীর্ঘদিন ধরেই এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ। ফলে এবার বিষয়টিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত এই রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল সহ অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন লাঠিগ্রামের বাসিন্দারা।