ফের উত্তপ্ত দিল্লি, জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ,পুলিশের সঙ্গে বচসা, আটক সিব্বল-প্রশান্তভূষণ-নেহা

34

নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানেশকুমারের ইস্তফার দাবিতে ফের উত্তপ্ত দিল্লি। শুক্রবারের পর শনিবারও প্রায় একই ছবি দিল্লিতে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ফের রাজধানীতে মিছিল বিক্ষোভকারীদের। মিছিল আটকাতে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। টেনেহিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় আইনজীবী প্রশান্তভূষণ, রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব, আইসা সভানেত্রী নেহা বরাকে।
জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে শুক্রবার দিল্লির রাজপথে আম আদমি পার্টি, কংগ্রেস এবং বামেরাও। সেই বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ যন্তর মন্তরের আশপাশে সব জায়গায় ব্যারিকেড দেয়। শনিবারও সেই চিত্র দেখা গেল। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি, কথা কাটাকাটিতে উত্তাল হয়ে ওঠে দিল্লির যন্তর মন্তর। শুক্রবার প্রায় এগারোশো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছিল। আটকদের মধ্যে ছিলেন সিপিএমের এমএ বেবি, বৃন্দা কারাত, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মারলেনা, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব, আইসা নেত্রী নেহা বরাও।
শনিবার যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল করে যান আন্দোলনকারীরা। সকাল থেকেই দিল্লি জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো ছিল। নয়াদিল্লিতে ১৬৩ ধারা জারি করে পুলিশ। পুলিশের অনুমতির তোয়াক্কা না করে অনেকেই পথে নামেন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পা মিলিয়েছেন কপিল সিব্বল, প্রশান্তভূষণের মতো আইনজীবীরাও। মিছিল করে তাঁরা যন্তর মন্তরের দিকে এগোতে থাকেন। মাঝপথে মিছিল আটকায় পুলিশ। অনেকেই রাস্তায় বসে পড়েন।
শুক্রবারই আইসা নেত্রী নেহা যন্তর মন্তরে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে ফের বিক্ষোভের ডাক দেন। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে দুপুর একটা থেকে দিল্লির নানা দিকে জমায়েত শুরু করেন আইসা নেতা-কর্মী, সমাজকর্মী, সাধারণ মানুষ। মিছিল করে যন্তর মন্তরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। অভিযোগ, মিছিল শুরুর আগেই পুলিশ আটকায়। শুরু হয় ধরপাকড়।