প্রদীপ্ত পুরকায়স্থ, কাটিগড়া: স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরও বদলায়নি ভাগ্য। ভাঙা জড়াজীর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়েই চলাফেরা করতে হচ্ছে বরাকের কাটিগড়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার লোকজনদের। এলাকায় বাঁশের সেতুই একমাত্র ভরসা। পাঁচ বছর পর পর নতুন সরকার আসে, সরকার পড়ে যায়, আবার নতুন সরকার আসে। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের দুঃখ দুর্দশার ছবি আর বদলায়নি।
একাধিকবার ক্ষমতাসীন সরকারের কাছে পাকা সেতু তৈরি করে দেওয়ার দাবি তুললেও চণ্ডীনগর ষষ্ঠ খণ্ড গ্রামের লোকেদের অবস্থা তথৈবচ।
এলাকায় প্রায় হাজার পাঁচেক মানুষের বসবাস রয়েছে। প্রতিদিন গ্রামের লোকেদের ভাঙা জড়াজীর্ণ বাঁশের সেতু দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে। বিশেষ করে কচিকাঁচারা প্রতিদিন বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে যখন স্কুলে যায়, বাড়িতে না ফেরা পর্যন্ত দুশ্চিন্তায় থাকেন অভিভাবকরা। বিপজ্জনকভাবে সাঁকো পেরোতে গিয়ে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনাও ঘটেছে।
প্রশাসন উদাসীন, তাই গ্রামবাসীরাই নিজেদের গাটের কড়ি খরচ করে সাঁকোটি মেরামতি করে আসছেন। অবিলম্বে সেখানে পাকা সেতু গড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। কাটিগড়ার নব নির্বাচিত বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থের কাছে কাতর আহ্বান এলাকাবাসীর।