ধেমাজির ঘটনায় তদন্তের দাবি হিমন্তর

31

নিউজ ডেস্ক: ধেমাজিতে অসম-অরুণাচল প্রদেশে সীমান্তে ১১ অসমিয়া যুবকের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় তদন্তের দাবি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার। তিনি বলেন, অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুকে অনুরোধ করব এবিষয়ে সঠিক তদন্ত করে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য।
বুধবার হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, অসম ও অরুণাচল প্রদেশের মাঝে ৫২টি গ্রাম নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। যদিও এবিষয়ে কথাবার্তা এগোচ্ছে, আশা করা যায় অচিরেই সীমানা বিবাদের নিষ্পত্তি হবে। সোমবারের ঘটনা সত্যই বেদনাদায়ক, আমরা ইতিমধ্যে সব জায়গায় সীমানা বিবাদের নিষ্পত্তি করেছি। শুধু পাঁচটা জায়গায় এখনও সীমানা বিবাদ রয়েছে অসম ও অরুণাচল প্রদেশের মাঝে, বলেছেন হিমন্ত।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, মঙ্গলবার ক্যাবিনেট বৈঠকে আঞ্চলিক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে সীমানা বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য। আমাদের সংঘর্ষে জড়ানো উচিত নয়। আমাদের একত্রে থাকতে হবে। তারপরই আমি অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুকে অনুরোধ করব ধেমাজির ঘটনায় উপযুক্ত তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে কড়া শাস্তি দেওয়ার জন্য।
অসম ও অরুণাচল প্রদেশের মাঝে ১২৩ গ্রাম বা এলাকা ছিল বিতর্কিত। ক্রমাগত আলোচনা চালিয়ে ইতিমধ্যে ৭১টি জায়গার নিষ্পত্তি হয়েছে, এখনও ৫২টি জায়গা নিয়ে দুই রাজ্যের বিবাদ আছে।
সোমবার অসম-অরুণাচল সীমান্তে ধেমাজির মিংমাং বাদাতি এলাকায় সংঘর্ষে অসমের ১১ যুবক গুলিবিদ্ধ হয়। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুলি চালানোর পরই ধেমাজির বাসিন্দারা অরুণাচলগামী রাস্তা অবরোধ করে।
এবিষয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, মিসিং ও আদি সম্প্রদায় দীর্ঘকাল দুই ভাইয়ের মতো বসবাস করছে। আমার মনে হয় তারা নিজেরা আলোচনা করে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করবে। আজ আদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে রাস্তা অবরোধের ডাক দিয়েছে মিসিং সম্প্রদায়। দুটি সম্প্রদায় একই জায়গা থেকে এসেছে। তাদের বিরোধ মিটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।