নিমিষা মৃত্যুরহস্যে নতুন মোড়, পলাতক অন্যতম অভিযুক্ত

30

নিউজ ডেস্ক: গুয়াহাটির নিকটবর্তী ধারাপুরে একটি হোমস্টেতে নিমিষা ঠাকুরিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ রূপম শইকিয়ার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করছে, যিনি ঘটনার রাতে নিমিষা ও প্রধান অভিযুক্ত আশিক আলির সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ।
বাইহাটা চারিয়ালির বাসিন্দা রূপম শইকিয়া ঘটনার রাতে ওই হোমস্টেতে নিমিষা ও আশিকের সঙ্গে মদ্যপান করেছিলেন বলে পুলিশের দাবি।
রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে আসার পর পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুর খবর পেয়ে রূপম শইকিয়া মির্জায় গিয়েছিলেন। পরদিন সকালে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন এবং সারাদিন বাড়িতেই ছিলেন।
তবে সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল নিয়ে আদাবাড়ির উদ্দেশে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে রূপমের পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি।
এরপর রূপমের মা জালুকবাড়ি থানায় তিনি নিখোঁজ বলে অভিযোগ দায়ের করেন। রূপম শইকিয়ার মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান রামপুরের একটি কোম্পানির পেছনের মাঠে শনাক্ত করা হয়েছে। এরপর থেকেই তাঁর ফোনটি বন্ধ রয়েছে।
গুয়াহাটির বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নিমিষা ঠাকুরিয়ার মৃত্যুর ঘটনা ও তার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ এখন শইকিয়ার গতিবিধি ও সম্ভাব্য অবস্থানের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
এরই মধ্যে, এই মামলার সূত্র ধরে নিতু আলি নামের আরেক ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। বাইহাটা চারিয়ালির বাসিন্দা নিতু ওই হোমস্টেতে আশিক ও নিমিষাকে মদ সরবরাহ করেছিলেন বলে অভিযোগ পুলিশের।
ধারাপুরের ওই হোমস্টেতে নিমিষাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত আশিক আলিকে আট দিনের হেফাজতে নিয়েছে। শইকিয়ার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তদন্তে নতুন একটি দিক যুক্ত করেছে। পুলিশ এখনও তাঁর অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি।