পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: উস্কানি মূলক বক্তব্য মামলায় মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে এফ আই আর। রক্ষাকবচ চেয়ে মহুয়া মৈত্র আবেদন জানিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে। আজ কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতির নির্দেশ, মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগের সব ক্ষেত্রেই সাজা ৭ বছরের মধ্যে। তাই এই মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করবে না পুলিশ।
প্রসঙ্গত, পলাশিতে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা করছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তখন বিজেপি কর্মী ও স্থানীয়রা তাঁকে দেখে গো ব্যাক স্লোগান তোলে। ছোঁড়া হয় ডিম। কোনওটা দেওয়ালে লাগে। কোনওটা ঘরে ঢোকে। গোটা ঘটনার ফেসবুক লাইভ করেন মহুয়া মৈত্র। সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এফ আই আর দায়ের হয়। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।
মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী আজকে জানিয়েছেন, বর্তমানে তিনি লোকসভার অধিবেশনে ব্যস্ত। ১৪ অগস্ট বিকাল ৩ টায় তিনি হাজির হবেন। তাই শুনে, বিচারপতি আজ স্পষ্ট করে দেন, ৫ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষা কবচ বজায় থাকবে। তবে তিনি তদন্তে সহযোগিতা না করলে সেটা রাজ্য হাইকোর্টকে জানাবে।
শুনানিতে মহুয়ার আইনজীবী আবেদন করেন, “মহুয়া মৈত্রের উপরে ডিম হামলার পাল্টা অভিযোগে পুলিশ তাঁকে তলব করেছে। তাঁকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হোক।”
এজি বলেন, “এর আগে তাকে তলব করা হয়েছিল। সেই নোটিস গ্রহণ করেও তিনি হাজির হননি। উল্টে জানিয়েছিলেন, যে ঠিকানায় নোটিস সেটা নির্মীয়মান ভবন। অথচ নোটিস গ্রহণ করেছেন।” এজি আদালতে জানান, মোট চারটে নোটিস দেওয়া হয়েছে। তিনি হাজির হননি।
বিচারপতি এটাও স্পষ্ট করে দেন, মহুয়ার থানায় হাজিরার সময়ে যেন কোনও ডিম ছোঁড়ার মত ঘটনা না ঘটে, সাংসদ কোনওভাবে হেনস্থার শিকার না হন, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পুলিশকে নিতে হবে।