বিধানসভায় সাসপেন্ড কুণাল ঘোষ, মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়া হল তৃণমূল বিধায়ককে

35

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: লোকসভা থেকে বিধানসভা, দিল্লি থেকে কলকাতা। একইদিনে এক ছবি, জায়গা আর ব্যক্তি আলাদা । সাসপেন্ড দুই মমতাপন্থী সাংসদ-বিধায়ক। দিল্লিতে, লোকসভা থেকে কল্যাণ ব্যানার্জিকে সাসপেন্ডের এক ঘণ্টার মধ্যে বিধানসভায় সাসপেন্ড কুণাল ঘোষ।

আজ বিধানসভায় একে একে বক্তব্য রাখছিলেন বিধায়কেরা। বিধানসভা গঠন হওয়ার পর থেকেই দুই তৃণমূলের সংঘাত বারবার সামনে এসেছে। বিধানসভায় বিরোধীদল হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঋতব্রত শিবির ।‌ বিরোধী মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান। আখরুজ্জামান বলতে শুরু করলে ছন্দপতন হয়।‌ তাঁকে বাধা দেন কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করতে উঠেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রতিবাদ করেন বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক পাশাপাশি বিজেপির মন্ত্রীরা। ওয়েলে নেমে প্রতিবাদ করেন মন্ত্রী শংকর ঘোষ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়রা। তারপরই কুণাল ঘোষকে মার্শাল ডেকে বার করে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার। প্রাথমিকভাবে সাসপেন্ড করা হয় কুনাল ঘোষকে।

গোটা ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, এই ধরনের ঘটনা, এর আগে বিধানসভায় ঘটেনি। কুণাল ঘোষকে তীব্র কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ”প্রতিবাদ অনেক রকম হয়। এই রকম অসভ্যতামি বিধানসভায় আগে দেখিনি।’

এরপরই বিধানসভায় ৩৪৮/২ ধারায় নোটিস দিয়ে গোটা অধিবেশনের জন্য কুণাল ঘোষকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। তাপস রায় বলেন, “অনৈতিকভাবে বিরোধী চিফ হুইপকে আক্রমণ করতে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। এর আগে আমি এই রকম দেখিনি।”