শিলংয়ে পুড়ল মন্ত্রীর গাড়ি

29

নিউজ ডেস্ক: বুধবার শিলংয়ে অন্তত ৩১টি গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ করে অসমের নম্বর প্লেটওয়ালা গাড়ি লক্ষ করে হামলা হলেও বাদ যায়নি মেঘালয় সরকারের গাড়িও। মেঘালয়ের বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক এ এল হেকের গাড়িতে ভাঙচুর চালায় মুখে কালো কাপড় লাগানো একদল যুবক। বাইক আরোহী যুবকদের হাতে ছিল কালো পতাকা ও লাঠি। বিধায়ক হেকের গাড়ির দুপাশের কাচ ভাঙচুর করে যুবকরা। যদিও বিধায়ক হেকের কোনও আঘাত লাগেনি। শিলংয়ের অন্য একটি এলাকায় ভাঙচুর চলে মেঘালয়ের শিক্ষামন্ত্রী লাহকমেন রিমবুইয়ের গাড়িতে। এটি ছিল সরকারি গাড়ি। গাড়ির সামনের দিকের কাচ ভেঙে দেওয়া হয়।
বুধবার খাসি ছাত্র সংস্থার কালো পতাকা নিয়ে বাইক মিছিলে উত্তপ্ত হয়ে শিলং। অন্তত ৩১টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। বিশেষ করে অসমের নম্বর প্লেটওয়ালা গাড়ির বেশি ক্ষতি হয়েছে। গভীর রাতে খাসি ছাত্র সংস্থার তিন নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের আগে ছাত্র সংগঠনের সভাপতি রেমন্ড খারজানা বলেন, পূর্ব ঘোষিত শুক্রবারের মিছিল আর হবে না। তার বদলে অবস্থান বিক্ষোভ হবে। এরপর খারজানা বলেন, সংগঠনের নেতা হিসেবে আমরা যাবতীয় সমালোচনা মাথা পেতে নিচ্ছি। আমাদের প্রতিবাদী বাইক মিছিলে কিছু দুষ্কৃতী ঢুকে পড়েছিল। তারাই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে। আমাদের পাঁচ দফা দাবি থেকে নজর ঘোরাতেই এই গন্ডগোল দুষ্কৃতীদের।
আগে ঘোষণা করা হয়েছিল যে পাঁচ দফা দাবিতে জাইওয়া থেকে খাইন্ডাই পর্যন্ত মিছিল করবে খাসি ছাত্র সংস্থা। কিন্তু বুধবারের ঘটনার পর সেই মিছিল প্রত্যাহার করা হয়েছে, শুধু অবস্থান বিক্ষোভ হবে খাইন্ডাইতে, বলেন রেমন্ড খারজানা। বিক্ষোভে শুধু খাসি ছাত্র সংগঠনের এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য এবং কয়েকজন সাধারণ কর্মী থাকবে। খাসি ছাত্র সংস্থার সভাপতি রেমন্ড খারজানা গ্রেফতারের আগে বলেছেন, প্রতিবাদ চলবে, কিন্তু আমরা কোনও অশান্তি চাই না। এমন কোনও পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয় যাতে আমাদের পাঁচ দফা দাবির লক্ষ্য দূরে সরে যায়, সংগঠনের কর্মীদের বলেছন খারজানা।
তিনি বলেন, শিলংয়ে কারা গাড়ি ভাঙচুর করেছে, যাত্রীবাহী বাসে পাথর ছুড়েছে তাদের শনাক্ত করতে যে কোনও পুলিশি তদন্তে সাহায্য করতে রাজি খাসি ছাত্র সংস্থা।