নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে শুভেন্দু অধিকারী

29

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: আজ নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে বিরুলিয়ার প্রচার করলেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “তৃণমূলের পাপের সীমা নেই, এমনভাবে ভোট করুন, যাতে এই ছিন্নমূলের লোকেরা প্রত্যেকের জামানত জব্দ হয়, একটারও যেন জমানত না থাকে।”
প্রচারমঞ্চে ‘বড় চোর’ বলে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন তিনি।

তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামের জয়ী প্রার্থীর সার্টিফিকেট নিতে গিয়েই বলেছিলাম তৃণমূলের নাম, নিশান থাকবে না। পিসি-ভাইপোর শুকনো ঘাস, জোড়াফুলের চিহ্ন কোনটাই নেই। অনেক চেষ্টা করেছিল ইভিএমে চোরামূলের লোকেরা। পশ্চিমবঙ্গের জনগণের দ্বারা বিতাড়িত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি।”
পাশাপাশি তিনি বলেন, “সুমিত রায়রা জেলে গেছে, এবার বড় চোরও জেলে যাবে।”

চন্দ্রনাথ রথের খুনের প্রসঙ্গে তুলে বলেন, “আমার সহকারী থাকার অপরাধে চন্দ্রনাথ রথকে খুনের গণতান্ত্রিক বদলা নিতে হবে আগামী ৬ তারিখ।” নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী সঞ্চিতা দে প্রধান ‘নিজের নমিনেশন তুলে ভোকাট্টা’ হয়ে গেছেন বলে বিদ্রুপ করেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আগে যা সাহায্য করতাম, তার তিনগুণ এখন করব। একুশে কোনও আশা না রেখেই আপনারা জিতিয়েছিলেন। ছাব্বিশে তাঁকেই আপনারা মুখ্যমন্ত্রী করে দিলেন, চাইতে হবে কেন? আমি জানি কীভাবে উন্নয়ন করতে হয়।কথা দিয়েছিলাম, আপনাদের ট্রেন চড়াব, কয়েক মাসে নন্দীগ্রাম-দেশপ্রাণ-বাজকোল ট্রেন চালিয়ে ছাড়ব।”

৫ মাসে নতুন সরকারের কাজের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম-দুই আসনে বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়াই করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুর কেন্দ্র হাতে রেখে, নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী । সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন তাঁরই আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ।