নিউজ ডেস্ক : সালটা ২০২০। সৌরভ ও শিখা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ভালোবাসা, স্বপ্ন আর নতুন জীবনের আশা নিয়ে বহু দম্পতির মতো তাঁরাও ভেবেছিলেন একসঙ্গে কাটবে ভবিষ্যতের প্রতিটি পথ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কে বাড়তে থাকে ভুল বোঝাবুঝি, তর্ক-বিতর্ক এবং দূরত্ব। একসময় সেই টানাপোড়েন এমন জায়গায় পৌঁছয় যে বিবাহবিচ্ছেদই যেন একমাত্র পথ বলে মনে হতে থাকে। এরপরই আদালতে শিখা তাঁর স্বামী সৌরভের বিরুদ্ধে যৌতুক সংক্রান্ত একটি মামলা করেন। মামলা করা হয় বধু নির্যাতনের। অন্যদিকে, আইনি লড়াই চালাতে গিয়ে শিখার বাবা মারাত্মক আর্থিক সঙ্কটে পড়েন। আইনজীবীদের ক্রমবর্ধমান ফি এবং ঘন ঘন আদালতে যাতায়াতের কারণে তাঁর সমস্ত সঞ্চয় নিঃশেষ হয়ে যায়। হঠাৎ একদিন অসুস্থ হয়ে পড়েন শিখার বাবা । হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি এবং অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই খবর পোঁছয় সৌরভের কাছে। সবকিছু ভুলে সৌরভ পৌঁছন গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে। তিনি তাঁর শ্বশুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। বেসরকারি হাসপাতালের সমস্ত বিল মেটান সৌরভ। তারপর শিখার বাবা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।
সবকিছুর পর সৌরভ ও শিখা বিবাহবিচ্ছেদের শুনানির জন্য আদালতে হাজির হন। শিখা তাঁর স্বামীকে দেখে কেঁদে ফেলেন। এক মুহূর্তও দেরি না করে, সে বিবাহবিচ্ছেদের সমস্ত কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে আদালতের বাইরে ছুটে গিয়ে তাঁর স্বামীকে জড়িয়ে ধরেন। আদালতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন তখন হতবাক হয়ে দেখছিলেন। কেউকেউ এই দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করলেন। সেই ভিডিও ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে।