চে গুয়েভারা নয়, প্রয়োজনে পরেশ বরুয়ার ছবি আঁকার পরামর্শ হিমন্তর

45

নিউজ ডেস্ক: গণেশগুড়ি উড়ালপুলের স্তম্ভে জুবিন গার্গের ম্যুরাল নিয়ে বিতর্কে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত অসম সফরের আগে গুয়াহাটির সৌন্দর্যায়নের জন্য বিভিন্ন ফুটপাথ, সেতু রং করা হচ্ছিল। সরকারের কোনও নির্দেশ ছাড়াই দুজন রং-মিস্ত্রি জুবিনের ম্যুরাল মুছে দেয়।


এপ্রসঙ্গে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, দুজন রং-মিস্ত্রিই জুবিনের ভক্ত, এমনকি ঠিকাদারও জুবিনের ভক্ত। কেন জুবিনের ম্যুরাল মুছল জানতে চাইলে তারা নাকি জানিয়েছে, এটা জুবিন গার্গের ম্যুরাল হিসেবে চেনা যাচ্ছিল না।


এরপরই হিমন্ত ম্যুরাল শিল্পীদের তীব্র আক্রমণ করে বলেন, এটা করেছে এসএফআইয়ের কিছু ছেলেমেয়ে। জুবিনের ছবি এসএফআইকে আঁকার অধিকার কে দিল? অসমের সব জেলার পুলিশ প্রধান, জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়েছি এসএফআইয়ের ছেলেমেয়েরা কোনও সেতুর স্তম্ভে জুবিনের ছবি আঁকলেই গ্রেফতার করতে হবে।


হিমন্ত বলেন, জুবিনের যেসব ছবি আঁকা হয়েছে সেখানে জুবিন নয়, বেশি করে চে গুয়েভারার মুখ ভেসে উঠেছে। অসমের সংস্কৃতির সঙ্গে চে গুয়েভারার কোনও সম্পর্ক নেই। অসমের কোনও বিদ্রোহীর ছবি আঁকতে হলে পরেশ বরুয়ার ছবি আঁকতে পারে। ৩০ বছর ধরে সংগ্রাম করছেন পরেশ বরুয়া।


অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত জানান, জুবিনের কোন ছবি আঁকা হবে সেটা জুবিনের ভক্তরা স্থির করবে। জুবিন গার্গের স্ত্রী গরিমা গার্গ সেই ছবিতে স্বীকৃতি দিলে গোটা অসমে একমাত্র সেই ছবি আঁকতে হবে। যেমন ভূপেন হাজরিকা, জ্যোতিপ্রস্তাব আগরওয়ালা বা বিষ্ণু রাভার ছবি আঁকা হয়।

এরপরই জুবিন গার্গের ম্যুরাল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে আক্রমণ করেন অখিল। হিমন্ত বলেছেন, প্রয়োজনে পরেশ বরুয়ার ছবি আঁকতে। একথা বলার জন্য হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে গ্রেফতার করা উচিত। ভারত সরকার দ্বারা নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতার ছবি আঁকতে বলার জন্য হিমন্তর গ্রেফতার হওয়া উচিত।