পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: পালাবদলের পর তৃণমূল নেতা দেখলেই ‘ডিম থেরাপি’ একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই নিয়ে জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে। পুলিসের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ । মামলাকারীর আবেদন, ডিম ছোঁড়ার এই প্রবৃত্তি চলতে পারে না। ডিম ছোঁড়া নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে পুলিশকেই নির্দেশ দিক আদালত।
সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারে সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে আক্রান্ত হতে হয়েছিল তাকে। তার দিকে লক্ষ্য করে প্রচুর ডিম ছোঁড়া হয়। সেই শুর । তারপর থেকে তৃণমূল নেতাদের দেখলেই ডিম ছোঁড়া একটা ট্রেন্ড। তালিকায় উজ্জ্বল বিশ্বাস, সব্যসাচী দত্ত কুণাল ঘোষ , বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত সহ একাধিক তৃণমূল নেতা। ‘ডিম থেরাপি’ -র আবহে পরিস্থিতি এমনই যে, কলকাতায় প্রতি ক্রেটে ডিমের দামও ঊর্ধ্বমুখী।
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বৈঠক সেরে বেরোচ্ছিলেন কুণাল ঘোষ। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ডিম-হামলার মুখে পড়তে হয় তাঁকেও। কলকাতা পুলিস কমিশনার ও কালীঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।
তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অভিযোগ, “শুভেন্দু অধিকারীর প্ররোচনায় কিছু মানুষ ডিম ছুঁড়ছেন। পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখছে। কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না”। এরপর জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।