চন্দ্রজিৎ গোয়ালা, লামডিং: মূল্যবৃদ্ধির বাজারে মাথায় হাত সাধারণ মানুষের। মূল্যবৃদ্ধির আঁচ পড়েছে শাক সবজির বাজারে। অন্যদিকে ফের দাম বাড়ল রান্নার সিলিন্ডারেরও। এক ধাক্কায় ২৯ টাকা বেড়ে গেল সিলিন্ডারের দর। গুয়াহাটিতে ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৯৬২ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৯১ টাকা। কলকাতায় সিলিন্ডারের দাম ৯৩৯ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৬৮ টাকা। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে পেট্রল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে একেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ। তার ওপর মরার ওপর খাড়ার ঘায়ের মতো হেঁশেলে টান পড়ল মধ্যবিত্তের। মূল্যবৃদ্ধির আঁচ লামডিংয়ের বাজারেও।

ছবি, নিজস্ব
শুধু রান্নার গ্যাসই নয়, বাজারে ডিম, দুধ, চাল, ডাল সহ অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দাম আকাশচড়া। মাছ বাজারে বাজার করতে গিয়ে পকেটে টান পড়েছে লামডিংবাসীর। বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছের পশরা থাকলেও আগের তুলনায় কমেছে গ্রাহকের সংখ্যা। সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছে দিন হাজিরা করে খেটে খাওয়া মানুষগুলোর।
লামডিংয়ের বাজারে প্রতি কেজি ইলিশ বিকোচ্ছে এক হাজার টাকায়। রুই মাছ বিকোচ্ছে ১৬০ থেকে ২২০ টাকায়। তবে একটু ছোট সাইজের হলে পাওয়া যাচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০র মধ্যে। লোকাল রুই প্রতি কিলো পাওয়া যাচ্ছে ১৬০ টাকায়। কাতলা ৩০০ টাকা। কৈ মাছ প্রতি কেজি পাঁচশ টাকা। বোয়াল ২০০ টাকা, স্থানীয় শিং এবং মাগুর প্রতি কেজি এক হাজার টাকা। শোল মাছ ৫০০ টাকা। পোনা মাছ বিকোচ্ছে ২০০ টাকা কেজি। তবে গুয়াহাটি মহানগরের তুলনায় লামডিংয়ের বাজারে কিছুটা কম, এমনটাই বক্তব্য একাংশ মাছ বিক্রেতার। বর্ধিত দামের কারণে অনেকেই এক কেজির জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন আধা কেজি মাছ। তবে মূল্যবৃদ্ধির তুয়াক্কা না করে একাংশ খাদ্য রসিককে দিব্যি ব্যাগ ভরে বাজার করতেও দেখা গেল।