নিট পেপার লিক, ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্টের আশ্বাস মোদীর, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফাই চান আন্দোলনকারীরা, খোঁচা রাহুলেরও

21

নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে। গঠন করা হবে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত। আন্দোলনের চাপে অবশেষে গা বাঁচাতে একটি পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স পোস্টে লেখেন, ‘আমাদের যুবকদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই! প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা ‘ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত’ (দ্রুত বিচার আদালত) গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমাদের ধারাবাহিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’


যদিও প্রধানমন্ত্রীর এই আশ্বাসের পরও চিঁড়ে ভেজেনি। ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকারীদের একটাই দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।


এদিকে, মোদীর পোস্টের পরই তাঁকে নিশানা করে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর খোঁচা, ‘আপনিই আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছেন। আপনি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুরোপুরি কব্জা ও ধ্বংস করার সুযোগ দিয়েছেন এবং তাতে উৎসাহ জুগিয়েছেন—পাশাপাশি এর জন্য দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তিকে সুরক্ষা দিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো স্পষ্ট:
১. ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করা।
২. শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া।
৩. যারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।


বৃহস্পতিবারই লোকসভা ও রাজ্যসভা দুপুর ২টো পর্যন্ত মুলতুবি হয়ে যায়। সংসদ চালু হতেই বিরোধীরা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে হট্টগোল শুরু করে। যদিও সংসদ বিষয়ক মনেত্রী কিরেন রিজিজু সংসদে দাবি করেন, সরকার সব বিষয়ে আলোচনায় রাজি। তবে বিরোধীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে অনড়।