রাজর্ষী শর্মা মজুমদার: কাছাড়ের বরখলার একটা জরাজীর্ণ রাস্তা এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ভাঙাচোরা রাস্তায় একহাঁটু জল-কাদা। রাস্তার উপরে পুকুরের মতো বিশাল বিশাল গর্ত। যানবাহন তো দূরের কথা হেঁটে যাতায়াতও কষ্টকর হয়ে উঠেছে। রাস্তার শীঘ্রই সংস্কারের জন্য স্থানীয় বিধায়কের কাছে দাবি এলাকার বাসিন্দাদের।
অভিযোগ, বিভাগীয় কৰ্তৃপক্ষের দীৰ্ঘদিনের উদাসীনতার জন্য নরক যন্ত্ৰণা ভোগ করতে হচ্ছে বরখলার বাসিন্দাদের। বরখলা তিনআলির শিলচর-জয়ন্তিয়া সড়ক ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে। এক পশলা বৃষ্টিতেই রাস্তায় জমা হচ্ছে একহাঁটু জল। সেই জল-কাদা ভেঙে বাধ্যত দৈনন্দিন চলাচল করতে হচ্ছে। রাস্তায় বিশাল আকারের গর্ত প্রতিদিনই আরও বড় হচ্ছে। সেই রাস্তায় চলাচলে যে-কোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা। গুরুতর সমস্যায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং পথচারীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিলচর-জয়ন্তিয়া রাস্তাটি উঁচু করে নিৰ্মাণের সঙ্গে সঙ্গে নর্দমার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়নি। এখন একপশলা বৃষ্টিতেই বরখলা তিনআলিতে হাঁটু জল জমা হয়। যার ফলে স্কুল-কলেজের ছাত্ৰ-ছাত্ৰী, হাসপাতালে যাওয়া রোগী সহ সকলকেই গুরুতর সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদার কোনও রকমে কাজ সেরে চলে গেছে। কাজের মান অত্যন্ত খারাপ হয়েছে। জল বেরনোর জন্য নর্দমা তৈরি হয়নি। রাস্তার পাশে সাইড বাম দেওয়া হয়নি। ফলে, রাস্তা এখন নর্দমায় পরিণত হয়েছে। জল-কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তারই মধ্যে নানা ধরনের যানবাহনও চলছে। ঠিকাদরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন এলাকার বাসিন্দারা। বিভাগীয় কৰ্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনপ্ৰতিনিধির বিরুদ্ধে নিষ্ক্ৰিয়তার অভিযোগ তুলেছেন বরখলার বাসিন্দারা। শীঘ্ৰই গর্ত বুজিয়ে রাস্তাকে চলাচলের উপযোগী করার জন্য মুখ্যমন্ত্ৰী, কাছাড়ের জেলাশাসক এবং স্থানীয় বিধায়ক কিশোর নাথের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন বাসিন্দারা।