শুধু ত্রিপুরায় নয় আরও এক রাজ্যে নির্বাচনে লড়েছে NCPI, কাকলিদের যোগদানে কি খুশি?

63


নিউজ ডেস্ক:
রবিবার ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা NCPI-এ যোগ দিয়েছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ সাংসদ। যদিও তাঁদের সঙ্গে মোট ২২ জন আছে বলে রবিবারই দাবি করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দোস্তিদার। এই ২০ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ NCPI দলে যোগ দেওয়ায় কি খুশি এই দলের প্রতিষ্ঠাতা ও কর্মীরা? ২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় অফিসিয়াল ভাবে পথচলা শুরু করে NCPI। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা শান্তনু দে, শিউলি কুণ্ডু। বর্তমানে এনসিপিআই-এর ন্যাশনাল অর্গানাইজার সেক্রেটারি পদে রয়েছেন শান্তনু দে।

লোকসভার স্পিকারকে ২০ সাংসদের সই করা রেজল্যুশন দিচ্ছে কাকলি ঘোষ দস্তিদার

তাঁর দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রবিবার তিনি জানতে পারেন কাকলি ঘোষ দোস্তিদার সহ ২০ তৃণমূল সাংসদ এনসিপিআই-এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। বিষয়টি রবিবার বিকেল ৪ টেয় জানতে পারেন শান্তনু। তাঁর দাবি, আগে কোনও কথাই বলেনি কেউ। তবে আলোচনার জন্য পথ খোলা। ছোটো দল বড় হবে তাই খুশি এনসিপিআই-এর এই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তাঁর মতে এনসিপির প্রেসিডেন্ট শিউলি কুণ্ডু হয়ত সব জানেন। যদিও কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী শিউলি কুণ্ডুর দাবি, তিনি এই দলের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এখন ত্রিপুরায় এনডিএ-র সঙ্গে থাকা এনসিপিআই-এর প্রেসিডেন্ট কে তা তিনি জানেন না। শিউলির দাবি, শান্তনু দে ২০২৩ সালের পর থেকে NCPI-এর কোনও পদে নেই।

ত্রিপুরায় ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৭ প্রার্থী নমিনেশন দাখিল করেছিলেন। যদিও তাদের মধ্যে ৪ জনের নমিনেশন বাতিল হয়ে যায়। বাকিরা ভোটে লড়াই করেন। সেবার মোট ৮২২ ভোট পেয়েছিল NCPI। পশ্চিমবঙ্গেও ২০২৩-এর নির্বাচনে লড়েছিল এই দল। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, NCPI দল অনুদান পেয়েছিল ১.১৩ লক্ষ টাকা।

২০২২ সালে এনসিপিআই-এর দল গঠনের কাজ শুরু হয়। এরপর ত্রিপুরায় ২০২৩-এর নির্বাচনে লড়েছিল এনসিপিআই। ত্রিপুরায় চন্দ্রপুরে একটি অফিস ছিল। আর্থিক অভাবে তা বন্ধ করে দিতে হয়েছে। হাওড়ার সাঁকরাইলে ‘জাগো বিশ্ব’ নামে একটি অফিস আছে NCPI-এর। ২০২৩ সালেই পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। দেব, কাকলি, শতাব্দী, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী সাংসদ NCPI-এ যোগ দেওয়ায় দলের অর্থের অভাব কাটবে বলে আশা এই দলের প্রতিষ্ঠাতা শান্তনু দে-এর। আগামী দিনে সাংবাদিক সম্মেলন করে দলের উদ্দেশ্য বলতে চান তিনি। পাশাপাশি সম্ভব হলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও কথা বলতে চান শান্তনু দে।