মহিলা কনস্টেবলের আত্মহনন

13

নিউজ ডেস্কঃ গুয়াহাটির পানিখাইতিতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পানিখাইতির ভাড়াঘরে আত্মহনন এক মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের। পানিখাইতি পুলিশ ফাঁড়িতে মহিলা কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত দীপামণির আত্মহত্যা নিয়ে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য।
পানিখাইতির এক ভাড়া ঘরে থাকতেন নগাঁওয়ের ২৬ বছরের দীপামণি হীরা।

পানিখাইতি পুলিশ ফাঁড়িতে মহিলা কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন দীপামণি। গত তিন বছর থেকে এই ঘরেই ছিলেন দীপামণি। প্রথমে তাঁর স্বামী দীপামণির সঙ্গেই থাকতেন। পরে যদিও নগাঁওয়ে নিজের ঘরে ফিরে যান তাঁর স্বামী।

শনিবার রাতে ডিউটিতে যাননি দীপামণি। দীপামণিকে বারবার ফোন করছিলেন তাঁর স্বামী। কিন্তু কোনওভাবেই ফোন ধরছিলেন না দীপামণি। দীপামণি ফোন ধরছেন না দেখে ভাড়াঘরের মালিককে ফোন করেন তাঁর স্বামী। মালিক প্রথমে ঘরে গিয়ে দরজার কড়া নাড়েন। কিন্তু কোনও জবাব পেলেন না। শেষপর্যন্ত দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন ঘরমালিক। দেখা গেল গলায় দড়ি নিয়ে ঝুলে রয়েছে দীপামণির দেহ।

মৃতদেহ দেখার পর ঘরমালিক সঙ্গে-সঙ্গেই খবর দেন পুলিশে। ফোন করা হয় দীপামণির স্বামীকেও। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে মরণোত্তর পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে দেয়। প্রশ্নটা হল, কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন দীপামণি? পারিবারিক সংঘাত না অন্য কিছু!

ইতিমধ্যে নগাঁও থেকে পানিখাইতিতে এসে উপস্থিত হয়েছেন দীপামণির স্বামীও।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দীপামণির আত্মহননের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কী কারণ ছিল সেটা জানতে মুখিয়ে রয়েছে তাঁর পরিবার, পরিজনেরা। কৌতুহল প্রতিবেশীদেরও।