চাঁদিপুরা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫

34

নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে এখন আতঙ্কের আরেক নাম ‘চাঁদিপুরা ভাইরাস’। আক্রান্ত রোগীর লক্ষ্মণ হল, অনবরত বমি হওয়া ,তীব্র মাথাব্যথা , অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ঝিমুনি ভাবখিঁচুনি বা অচেতন হয়ে পড়াপ্রবল জ্বর, গা হাত পা ব্যথা। সময়মতো চিকিৎসা না হলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। শুরু হয় টানা কাশি, শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি। রোগী অচৈতন্য হয়ে কোমায় চলে যেতে পারে। বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তাদের জন্য এই ভাইরাস অত্যন্ত গুরুতর। ভাইরাসটি ঠিক কোথায় বংশবিস্তার করছে, সেই প্রশ্নই গবেষকদের ভাবিয়ে তুলছে। ২০২৪ সালের প্রাদুর্ভাবের সময়ও একই ধরনের ব্যাপক পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, কিন্তু তখনও ভাইরাসের উৎস বা বাহক শনাক্ত করা যায়নি। সেই সময় চাঁদিপুরার উপসর্গ দেখা দিয়েছিল এমন ৭৮ জন শিশুর মধ্যে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ১৯৬৫ সালে মহারাষ্ট্রের নাগপুরের চান্দিপুরাতে এই ভাইরাস নজরে আসে। পরে দেশের বহু জায়গার এর প্রকোপ দেখা যায়। মারণ এই ভাইরাসের বাহক মূলত প্রতঙ্গ। মূলত স্যান্ডফ্লাই বা বেলেমাছি, মশা এবং এঁটেল পোকার কামড় থেকেই জীবাণু মানুষের রক্তে মেশে। সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই চাঁদিপুরা ভাইরাসের ব্যাপক প্রকোপ দেখা গিয়েছে গান্ধীনগর, সবরকান্থা-হিম্মতনগর, পাটন, রাজকোট এবং ভাবনগরে। এখনও পর্যন্ত মোট ২২৫টি সন্দেহভাজন ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছিল. ৩৯ জন শিশুর শরীরে চাঁদিপুরা ভাইরাসের (CHPV) উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে । ২৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে. আক্রান্তদের বেশিরভাগই ১৪ থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু।