দু’মিনিটে ১০ হাজার ফুট নীচে নেমে আসে বিমান! বারমুডায় নিখোঁজ বিমানের মিলল ধ্বংসাবশেষ

44

নিউজ ডেস্ক:ফের আকাশপথে বিপত্তি। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বারমুডা থেকে বস্টনগামী বিমান। মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোর রাতেই বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানে ছিলেন ৬ জন যাত্রী। বেশ কয়েক ঘণ্টা পর আটলান্টিক মহাসাগরের ম্যাসাচুসেটসের নানটাকট উপকূলে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ চোখে পড়ে। শুরু হয়েছে উদ্ধারকার্য।

বিমানটি শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৪১ মিনিটে বারমুডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বোস্টনের উদ্দেশে রওনা দেয়। বিমানটি গালফস্ট্রিম জি১০০ মডেলের। এটি একটি মেডিক্যাল বিমান অর্থাৎ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স। এর পরিচালানার দায়িত্বে রয়েছে ল্যাটিটিউড এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। তবে ঠিক কখন ও কীভাবে বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছিল তা এখনও জানা যায়নি। বিমানে সওয়ার চার জন যাত্রী কানাডার নাগরিক। অন্য দু’জন বারমুডার।

বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার আগে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে পাইলটের শেষ কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডিং প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই বোঝা গেছে ঝড়ের কবলে পড়েছিল বিমানটি। কিছু দেখতে পাচ্ছিলেন না পাইলট। তবে দুর্ঘটনার আসল কারণ তদন্ত সাপেক্ষ। নানটাকেটের দক্ষিণে ম্যাসাচুসেটসের আকাশসীমার কাছে পৌঁছানোর সময় বিমানটির রেডিও ও রাডার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার আগে বিমানটি প্রায় ২৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল। এরপর প্রায় ১৩ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে বিমানটি। মাত্র দু’মিনিটের মধ্যে ১০ হাজার ফুট নীচে নেমে আসে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সটি।

বিমানের ধ্বংসাবশেষটি নানটাকেটের দক্ষিণে পাওয়া যায় এবং সেটি নিখোঁজ উড়োজাহাজটিরই অংশ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। মার্কিন কোস্ট গার্ড নানটাকেটের দক্ষিণে সমুদ্র এলাকায় বিমান ও নৌযান পাঠিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। বিমানে থাকা ছয়জনের সন্ধান এখনও মেলেনি। প্রায় ১ হাজার ৬৪৪ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে তল্লাশি চলছে।