অসমে বন্যা পরিস্থিতি, হিমন্ত-শাহর ফোনালাপ

34

নিউজ ডেস্ক: অসমের অন্তত ছয়টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি। দুর্গতদের সম্ভাব্য সবরকম সাহায্যের জন্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে ফোনালাপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর। ধেমাজি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সবচেয়ে আশঙ্কাজনক। দুর্গতদের উদ্ধার, ত্রাণসামগ্রী বণ্টন প্রভৃতি কাজে অসমকে পূর্ণ সহায়তা করবে কেন্দ্র, জানিয়েছেন অমিত শাহ।
ধেমাজির বন্যা পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছেন অমিত শাহ, এক্স পোস্টে জানিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বর্তমানে যে উদ্ধার কাজ চলছে ও আশ্রয় শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেটা জানিয়েছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে, লিখেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। বন্যাত্রাণে সবসরকম সহায়তা করবে কেন্দ্রীয় সরকার, জানিয়েছেন হিমন্ত।
অসমের বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে টানা বৃষ্টির জেরে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ধেমাজি জেলায়। এ ছাড়া আরও পাঁচটি জেলায় বৃষ্টির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাসস্থান, রাস্তা, কৃষিজমি ও গৃহপালিত জীবজন্তু। শুধু ধেমাজি জেলায় ৬৯ গ্রামের প্রায় ১৬ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।


হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতির দিকে নিবিড় নজর রাখছে সরকার। জলসম্পদ মন্ত্রী সুশান্ত বরগোহাঁই এবং বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী কেশব মহন্তকে বলা হয়েছে ধেমাজিতে গিয়ে উদ্ধার কাজ, পুনর্বাসন এবং ত্রাণসামগ্রী বণ্টন তদারকি করতে।
বৃষ্টির জেরে ধেমাজি জেলার অর্চিতাপাথার ও সিমেন চাপরির মাঝে রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সিমেন নদী সেতু আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মুরকংসেলেক-শিলাপাথার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে। এইসঙ্গে তারা জানিয়েছে যে বৃষ্টির কারণে কোনও যাত্রী কিংবা ট্রেনের ক্ষতি হয়নি। তবে বৃষ্টির জেরে ভূমিক্ষয়ের কারণে জেলার ওই অংশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
তবে মুরকংসেলেক ও শিলাপাথারের মাঝে বাস ও ফেরি চলাচল অব্যাহত রয়েছে।