জ্ঞানেশ-অপসারণে নেমে আটক বেবি-মনোজ-বৃন্দা-নেহা

46

নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানেশকুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির রাস্তায় আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় আটক করল পুলিশ। যন্তরমন্তরে পৌঁছনোর আগেই আটক করা হয় আরজেডির রাজ্যসভা সাংসদ মনোজ ঝা সহ একঝাঁক নেতানেত্রীকে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশকুমার গুপ্তার অপসারণের দাবিতে যন্তরমন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন। দিল্লি পুলিশ অবশ্য জমায়েত-বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। এবং যন্তরমন্তরের আশপাশে ১১টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। দিল্লিতে জারি করা হয় ১৬৩ ধারা, পাঁচজনের বেশি জমায়েত হলেই আটক করতে থাকে পুলিশ।
সকালে যন্তরমন্তরে একা এসেছিলেন আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ। তাঁকে সহ আপের এক বিধায়ককে আটক করে পুলিশ। এরপর আরজেডির মনোজ ঝা আটক। আটক করা হয় সিপিএমের সর্বভারতীয় সম্পাদক এম এ বেবি, বৃন্দা কারাতকে। আইসার সভানেত্রী নেহা বরাকে আটক করে পুলিশ। মিছিল করে যন্তরমন্তরে যাওয়ার পথে আটক দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশী মারলেনা। আটক করা হয়েছে সমাজকর্মী দেবেন্দ্র যাদবকেও।
ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে যন্তর মন্তর রোড, নির্বাচন কমিশন দফতরের প্রধান সড়ক। বিশাল পুলিশ ও র্যা ফ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রয়েছে ‘মাল্টি ব্যারেল শেল লঞ্চার’ বসানো গাড়ি ‘বজ্র’ এবং জলকামানবাহী ‘বরুণ’। পুলিশ জানিয়েছে, কোনও জমায়েত, স্লোগান, বক্তৃতা, বিক্ষোভ হলেই পদক্ষেপ করা হবে। নিরাপত্তার কারণে যন্তর মন্তরের আশপাশের ১১টি মেট্রো স্টেশনও বন্ধ রাখা হয়েছে।
মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে সিজেপির আন্দোলন শুরু হওয়ার কথা বিকেল চারটেয়। কিন্তু বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র পুলিশ শিবাজি পার্কে অবস্থান-বিক্ষোবের অনুমতি দেয়নি। পুলিশের যুক্তি, বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী শিবাজি পার্কে কোনও জমায়েত নিষিদ্ধ। যদিও সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, শিবাজি পার্কে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী জনসভা করতে পারলে আমরাও করব। জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও গোয়ায় পালিত হবে ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি। চলতি মাসের শেষে তাঁরা দিল্লিতে যন্তর মন্তরে আন্দোলনে নামবেন। জ্ঞানেশের ইস্তফা না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।