নিউজ ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশকুমার গুপ্তার ইস্তফার দাবিতে উত্তাল দিল্লি-মুম্বাই। দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ শুরু করতেই আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ বেশকিছু কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা বলেছেন, দিল্লি পুলিশের লজ্জা থাকা উচিত। আজ মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। এটা গান্ধীর ভারত। আইনসম্মত প্রতিবাদের অধিকার সবার আছে।
যন্তরমন্তরে অবস্থান-ধর্না ভেস্তে দিতে অতিসক্রিয় দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। গোটা নয়াদিল্লি জুড়ে পাঁচ জন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পুলিশ!
ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে যন্তর মন্তর রোড, নির্বাচন কমিশন দফতরের প্রধান সড়ক। বিশাল পুলিশ ও র্যা ফ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রয়েছে ‘মাল্টি ব্যারেল শেল লঞ্চার’ বসানো গাড়ি ‘বজ্র’ এবং জলকামানবাহী ‘বরুণ’। পুলিশ জানিয়েছে, কোনও জমায়েত, স্লোগান, বক্তৃতা, বিক্ষোভ হলেই পদক্ষেপ করা হবে। নিরাপত্তার কারণে যন্তর মন্তরের আশপাশের ১১টি মেট্রো স্টেশনও বন্ধ রাখা হয়েছে।
মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে সিজেপির আন্দোলন শুরু হবে বিকেল চারটেয়। কিন্তু বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র পুলিশ শিবাজি পার্কে অবস্থান-বিক্ষোবের অনুমতি দেয়নি। পুলিশের যুক্তি, বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী শিবাজি পার্কে কোনও জমায়েত নিষিদ্ধ। যদিও সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, শিবাজি পার্কে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী জনসভা করতে পারলে আমরাও করব। জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও গোয়ায় পালিত হবে ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি। চলতি মাসের শেষে তাঁরা দিল্লিতে যন্তর মন্তরে আন্দোলনে নামবেন। জ্ঞানেশের ইস্তফা না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।