বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার

2

পৃথা দাশগুপ্ত, কলকাতা: শনিবার বাগনানের বিজেপি কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিবারকে দেখা করে কড়া বার্তা দেন তিনি। তিনি জানান, বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় পাতাল থেকেও অপরাধীদের খুঁজে আনা হবে। বলা মাত্রই কাজ। ‌শনিবার রাতেই শ্যামপুর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনে অন্যতম অভিযুক্ত শেখ সইফুদ্দিন।

সি আই ডি ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় শেখ সাইফুদ্দিনকে। প্রশান্ত দে-র খুনের ঘটনায় ৫১ জনের নামে এফআই আর হলেও এখনও অবধি এই ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে ১১ জন।

শনিবার রাতেই জেলা পুলিশ ও সিআইডির টিমের যৌথ অভিযান। শ্যামপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শেখ সইফুদ্দিনকে। আজ তাঁকে আদালতে তোলার পর পুলিশি হেফাজতের আবেদন চাইবেন তদন্তকারীরা। ‌ তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই খুনে আর কারা জড়িত রয়েছে সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সূত্রের খবর। ‌

১৭ জুন রাতে প্রশান্ত দে-সহ কয়েক জন বিজেপি কর্মী বাগনানের পাইকপাড়া গ্রামে তৃণমূল নেতা তথা আন্টিলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মফিজুল ইসলাম খানের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখাতে যান। বিজেপির অভিযোগ, সেই সময়ে মফিজুল এবং তাঁর অনুগামীরা প্রশান্তদের উপরে চড়াও হন। মৃত্যু হয় প্রশান্ত দে-র। জখম হন তিন জন বিজেপি কর্মী। ঘটনার দিনই আট জন গ্রেপ্তার হন। পরে এক মহিলা-সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার তদন্তভারও তুলে দেওয়া হয় সিআইডি-র হাতে।

শনিবার প্রশান্ত দে-র পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হাওড়ার বাগনানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এত দিন আইনের শাসন ছিল না। শাসকের আইন ছিল। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে। যারা অভিযুক্ত, সিআইডি-কে বলেছি, সকলকে ধরতে হবে। এত দিন এটা হত না।’