নিউজ ডেস্ক: ভাইকিংয়ের সাজে নরওয়ের ফুটবলাররা। ফুটবল বিশ্বকাপ খেলতে আমেরিকা উড়ে যাওয়ার আগে ঐতিহ্যের সাজ নরওয়ের ফুটবল টিমের গায়ে। ‘ভাইকিং’-এর পোশাকে ফোটোশুট করে দেশবাসীর রোষানলে পুরো টিম।
মার্কিন ভূমিতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে অসলোর এক সমুদ্রসৈকতে ফোটোশুট করে সমগ্র নরওয়ে টিম। পুরোদস্তুর ‘ভাইকিং’ পোশাক পরে বিতর্কেও জড়িয়েছেন তাঁরা। অনেকে বলছেন, আদতে উগ্র দেশাত্মবোধের পরিচয় দিয়েছে। অসলোতে, খ্যাতিমান আলোকচিত্রী ডেভিড ইয়ারোর তোলা ছবিতে ঐতিহ্যবাহী ভাইকিং পোশাকে দেখা যায় খেলোয়াড়দের। একটি ফিয়র্ডের পাশে তোলা ছবির পেছনে ছিল ভাইকিং লংশিপ, যা নরওয়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতিফলন তুলে ধরেছে।
১৯৯৮ সালের পর, এবারই প্রথম, বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে নরওয়ে। দলটির নেতৃত্বে আছেন অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড এবং তারকা স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ড। গত সপ্তাহে, ফটোশুটটি সম্পন্ন হলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি ওডেগার্ড। পরে তাকে ছবিতে যুক্ত করা হয়। নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশনের মতে, বিশ্বকাপের আগে দলীয় ঐক্য এবং দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এই ব্যতিক্রমী আয়োজন।
ইতিমধ্যেই তাঁরা পৌঁছে গিয়েছে আমেরিকায়। তার আগে ‘ভাইকিং’-এর পোশাকে ফোটোশুট করে বিতর্ক সঙ্গে নিয়েই বিশ্বকাপের মঞ্চে রওনা নরওয়ের। ভাইকিং বলতে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার (বর্তমানে নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেন) সমুদ্রচারী যোদ্ধা, ব্যবসায়ী ও অভিযাত্রীদের বোঝায়। ‘ভাইকিং যুগ’-এ তারা ইউরোপ এবং এর বাইরেও বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অভিযান, বাণিজ্য ও উপনিবেশ স্থাপন করেছিল।