জল থৈ থৈ কলকাতা, বিমানবন্দরে বাজ পড়ে আহত ২, খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম

20

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: নিম্নচাপ অক্ষরেখার জেরে সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। কোথাও মাঝারি বৃষ্টি আবার কোথাও বা ভারী। শহরের একাধিক জায়গা ইতিমধ্যেই জলের তলায়। বিপর্যস্ত শহরে ব্যাহত স্বাভাবিক জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল এবং ধীর গতিতে চলছে যান।

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, মহাত্মা গান্ধী রোড, আমহার্স্ট স্ট্রিটের বিস্তীর্ণ জায়গা জলমগ্ন । বাদ যায়নি সল্টলেক সেক্টর ফাইভ, দমদম , বাগুইআটির ও কাশীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলও। জলের কারণে ইএম বাইপাস এবং মা ফ্লাইওভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় গাড়ির গতি অত্যন্ত শ্লথ। তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়।

এই অবস্থা খতিয়ে দেখতে রাস্তায় নেমেছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বিভিন্ন রাস্তার পাশাপাশি তিনি আজ চিড়িয়াখানা পরিদর্শনে যান। পরিস্থিতি সামাল দিতে শহর জুড়ে পাম্প চালিয়ে জল নিকাশির কাজ শুরু করা হয়েছে। একটি কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।
আলিপুর চিড়িয়াখানার ভেতরের একটি অংশে ড্রেনের পাইপে ফাটল ধরায় সেখানে দ্রুত জল জমে যাচ্ছিল। আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে মন্ত্রী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সেখান থেকে দ্রুত জল নিকাশির ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।

জমা জল নিয়ে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “কলকাতায় যেখানে যেখানে জল জমেছে বা সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েছেন, তাঁরা অবিলম্বে কলকাতা পুরসভার হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের ওয়েবসাইটে জানান। আপনাদের কাছে যদি আমার নম্বর থাকে তাহলে সরাসরি আমাকেও জানাতে পারেন। শুভেন্দু অধিকারীর সরকার সব বিষয়ে অত্যন্ত তৎপর । যেখানেই সমস্যা হবে, খবর পাওয়া মাত্র আমরা নিজেরা সেখানে পৌঁছে যাব।”

এরই মধ্যে বিপত্তি কলকাতা বিমানবন্দরে । বিমান থেকে মালপত্র নামানোর সময় বাজ পড়ে আহত দুই গ্রাউন্ড স্টাফ। সূত্রের খবর, ওই দুই কর্মীকে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের আঘাত আশঙ্কাজনক না হলেও, অন্য জনের শরীরে চোট বেশ গভীর। বর্তমানে দু’জনকেই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ।‌