রণজিৎ দাসের হুঁশিয়ারিকে বুড়ো আঙুল, বরপেটায় অবাধে চলছে বেআইনি বালি খনন

16

অঞ্জন জ্যোতি নাথ: বেআইনি খনন বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অসম বিধানসভার অধ্যক্ষ রনজিৎ দাস। কিন্তু রনজিৎ দাসের হুঁশিয়ারিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বরপেটার বেকী ও নলঝড়া নদীতে দিন-দুপুরে অবাধে চলছে পাথর-বালির খনন।

বরপেটারোড ফরেস্ট ডিভিশনের অন্তর্গত বেকী নদীর বুকে একটি দুষ্ট চক্র অবাধে বালি খনন চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের অভিযোগ, কর ফাঁকি দিয়ে ডাম্পার ভর্তি করে বালি তুলছে চক্রটি। প্রতিদিন কয়েকশ ডাম্পার ও ট্র্যাক্টর নদীর পারে খনন চালিয়ে পাথর-বালি পাচার করছে। এমনকি নদী থেকে বালি তুলতে ফকল্যান্ড, আর্থ মুভারও ব্যবহার করছে তারা।
বর্ষাকাল আসন্ন। নদী থেকে এভাবে বালি পাথর খনন করলে ভাঙনের আশঙ্কা থেকে যায়। এতে চিন্তিত স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এধরনের বেআইনি খননের নেপথ্যে একাংশ রাজনৈতিক নেতাদের মদত রয়েছে। বিজেপির বরনগর মণ্ডলের সংখ্যালঘু মোৰ্চার উপ-সভাপতি মমসেদ আলমের নেতৃত্বে আবদুল্লা ও আলি হুসেন নামে দুই ব্যক্তি এই অবৈধ পাথর-বালির কারবার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। শাসক দলের রক্ষা কবচ থাকায় চক্ৰটি প্ৰশাসন ও বন বিভাগকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লুটতরাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

উল্লেখ্য, গামারীগুড়িতে বেকী নদীর ভাঙন প্রতিরোধে ৪ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকার প্রকল্প পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় বিধায়ক রণজিৎ কুমার দাস বেআইনি মাইনিং বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই হুঁশিয়ারির পরও একাংশ অসাধু চক্রের এই অবৈধ কারবারে লাগাম টানা সম্ভব হয়নি। প্রশ্ন ওঠে, এই ধরনের অবৈধ খনন রুখতে জেলা প্ৰশাসন ও বন বিভাগ কী পদক্ষেপ নেবে? নাকি শাসক দলের ছাতার তলায় থেকে জারি থাকবে বেআইনি কারবার?