মেঘভাঙা বৃষ্টিতে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা নেপালে

28

নিউজ ডেস্ক: নেপালে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা। তিব্বত ঘেঁসা নেপালে বুধবার মেঘভাঙা বৃষ্টির জলের তোড় ভাসিয়ে নিয়ে গেছে সেতু, সড়ক, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। নদীর তীরে বসবাসকারী বহু লোক নিখোঁজ।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ বিবৃতি দিয়েছেন যে ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যে পৌঁছেছে সেনাবাহিনী। দুর্গতদের উদ্ধারের কাজ চলছে। নেপালের পাহাড়ি জেলা রাসুয়ার সিয়াপ্রু বেসি এবং তিমুরে এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
রায়সু জেলার প্রশাসক নরেন্দ্র পারিয়ার বলেছেন, বেশকিছু গ্রাম এবং পরিকাঠামো জলের তোড়ে ভেসে গেছে। বহু প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে এবং সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই মুহূর্তে সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ বলেছেন, নিম্নভূমিতে যারা রয়েছে তাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিরাপদ স্থানে। নদীর তীরে বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকতে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে কাজ করছে সেনাবাহিনী, প্রশাসন।
তিব্বত থেকে ভোটে কোশি নদী ঢুকেছে নেপালে এবং মিশেছে ত্রিশূলী নদীতে। তারপর ভারতে প্রবেশ করে গণ্ডক নদী নাম হয়েছে।
গত বছর ভোটে কোশি নদীর বন্যায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছিল, এখনও নিখোঁজ ২৪। এখানেই শেষ নয়, সেবার বন্যার তোড়ে ভেসে গিয়েছিল নেপাল-চিনের সংযোগকারী সেতু ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ। সেই বন্যা হয়েছিল তিব্বতের একটি হিমবাহ হঠাৎ গড়িয়ে আসায়।
রাসুয়া জেলার সিয়াপ্রু বেসি ও তিমুরে এলাকায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বাস করে। নেপালের জলসম্পদ মন্ত্রক ইতিমধ্যে জানিয়েছে যে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।