বোকোয় পুড়ে ছাই পুলিশের গাড়ি

20

নিউজ ডেস্ক: অসম-মেঘালয় সীমানার বকোয় পুড়ে ছাই অসম পুলিশের এক কর্মীর গাড়ি। আপার লাম্পি ব্যাটেলিয়ন বর্ডার আউটপোস্টের সামনে গাড়িটি দাঁড়িয়েছিল। বুধবার সকালে পোড়া গাড়ির ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়। সম্প্রতি অসম-মেঘালয় বিতর্কে বিষয়টি আরও মাত্রা পেয়েছে।
বেসরকারি চারচাকার গাড়ির মালিক ২৮তম ব্যাটেলিয়নের হাবিলদার অরবিন্দ রায়ের। আপার লাম্পি ব্যাটেলিয়ন বর্ডার আউটপোস্টের সংযোগী রাস্তা খারাপ থাকায় অরবিন্দ রায় গাড়িটি রেখেছিলেন শিবিরের কাছে রাস্তার পাশে। সকালে দেখা যায় গাড়ি পুড়ে ছাই।
পুলিশের গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গুয়াহাটি থেকে গিয়েছে ফরেনসিক টিম। অসম পুলিশের উচ্চস্তরীয় পদাধিকারী জনকিশোর গগৈ ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করেছেন।
ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাভা হাসং স্বশাসিত পরিষদের একজিকিউটিভ সদস্য অর্জুন ছেত্রী। তিনি বলেছেন, শিলংয়ে হিংসার জেরে অসম-মেঘালয় সীমানায় পুলিশের গাড়ি পোড়ানো হয়েছে কি না তদন্ত করতে হবে। এরপরই তিনি বলেন, শিলংয়ে হিংসায় দায়ী খাসি ছাত্র সংগঠনকে ভারত সরকারেরর অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত।
ছেত্রী বলেছেন, ২০১০ থেকে লাম্পি এলাকায় খাসি সম্প্রদায়ের একাংশ অসমের জমিতে চাপ সৃষ্টি করছে। কয়েকবার শারীরিক নিগ্রহের মতো ঘটনা ঘটেছে। যদি আসাম পুলিশের গাড়ি নিরাপদ না থাকে তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? প্রশ্ন অর্জুন ছেত্রীর।
ছেত্রী বলেছেন, ২০১০ থেকে লাম্পি এলাকায় খাসি সম্প্রদায়ের একাংশ অসমের জমিতে চাপ সৃষ্টি করছে। কয়েকবার শারীরিক নিগ্রহের মতো ঘটনা ঘটেছে। যদি আসাম পুলিশের গাড়ি নিরাপদ না থাকে তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? প্রশ্ন অর্জুন ছেত্রীর।