শ্যামল আচার্য: শ্রীভূমি জেলার রাতাবাড়ি থানার অন্তর্গত চান্দমারি গ্রামে ঘটে গেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার এক নাবালিকার দেহ। কিভাবে সেপটিক ট্যাঙ্কে মৃতদেহ এল, খুন করে দেহ লোপাটের চেষ্টা কিনা জানতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত। ঘটনা ঘিরে এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েকদিন ধরে বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছিল। প্রথমে বিষয়টিতে তেমন গুরুত্ব না দিলেও দুর্গন্ধ ক্রমশ বেড়ে যাওয়ায় এলাকার বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা বিষয়টি স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতির নজরে আনেন। খবর পেয়ে রাতাবাড়ি থানার ওসি থেকে শুরু করে ঘটনাস্থলে পৌঁছন সার্কেল অফিসার অন্তরা পালও। পুলিশের সামনেই খোলা হয় সেপটিক ট্যাঙ্ক, তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় এক কিশোরীর দেহ। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে সার্কেল অফিসারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে খুন বলে সন্দেহ করা হয়েছে, তবে ময়নাতদন্তের পর আসল ঘটনা প্রকাশ পাবে।

ইতিমধ্যে বাড়ির মালিক আবুল হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত মৃত নাবালিকার পরিচয় জানা যায়নি। নাবালিকার পরিচয় উদ্ধারের পাশাপাশি ঘ টনার নেপথ্যে আর কেউ জড়িত কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তের খাতিরে প্রতিবেশিদের সঙ্গেও কথা বলছে রাতাবাড়ি থানার পুলিশ।
আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগও রয়েছে বলে জানান পাতিয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের সভাপতি রহিম উদ্দিন। পাসাপাশি তার চরিত্রও খুব একটা ভাল না বলেই মত রহিম উদ্দিনের।
সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।