মেঘালয়ে মহা মহড়া ‘প্রগতি ২০২৬’

46

মেঘালয়: মেঘালয়ের উমরোই সামরিক ঘাঁটিতে আয়োজিত হল বহুপাক্ষিক সামরিক মহড়া প্রগতি ২০২৬ । ভূটান, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মায়ানমার, নেপাল, ফিলিপিন্স, সেশেলস, শ্রীলঙ্কা এবং ভিয়েতনামের মতো ১২টি বন্ধু রাষ্ট্র এই সামরিক মহড়ায় যোগ দেয়।

বন্ধু রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সমতা, পারস্পরিক সম্মানের মনোভাব বজায় রেখে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক বাহিনীর প্রসার ও রূপান্তরের লক্ষ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের স্বার্থে প্রগতির আয়োজন। বন্ধু দেশগুলির সামরিক বাহিনীর জন্য তা একটি সাধারণ মঞ্চ হিসেবে প্রতিফলিত। পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং একে-অপরের অভিজ্ঞতা থেকে সমৃদ্ধ হয়ে সামরিক ঐক্য গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উচ্চপদস্থ সামরিক আধিকারিক ও অন্য অভ্যাগতরা উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় সেনার পদাতিক বাহিনীর অতিরিক্ত মহানির্দেশক মেজর জেনারেল সুনীল শিওরান সমসাময়িক সামরিক চ্যালেঞ্জের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। একে-অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে গেলে সদিচ্ছা ও পারস্পরিক সম্মানের মনোভাব বজায় রাখা উচিৎ বলে জানান তিনি।

এই মহড়ার উদ্দেশ্য হ’ল – অংশগ্রহণকারী দেশগুলির মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয় বজায় রাখা। সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলিকে চিহ্নিত করে যৌথ মহড়া ও প্রশিক্ষণের আয়োজন। এছাড়া, বহুপাক্ষিক বাতাবরণে পরিচালন এবং তথ্য বিনিময়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দুই সপ্তাহের এই মহড়ায় আধা-পার্বত্য এলাকা ও জঙ্গলে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে মহড়া দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শারীরিক সক্ষমতার প্রসার , প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলার কৃৎকৌশলের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই মহড়ায় ভারতীয় প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলি আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগের অধীন তাঁদের তৈরি সামরিক সাজ-সরঞ্জামকে তুলে ধরেছে। এতে প্রতিরক্ষা সামগ্রীর উৎপাদন, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ভারতের অগ্রগতির নজিরকে তুলে ধরা হয়েছে।