নিউজ ডেস্ক: অসম সহ তিন রাজ্যের ১৬ জায়গায় এনআইএ তল্লাশি। অসমে উগ্রপন্থা ছড়ানোর একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলমের ১৬টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। এই তদন্তটি ‘ইমাম মাহমুদের কাফিলা’ (আইএমকে) সংক্রান্ত একটি আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। আইএমকে-কে ‘জামায়েত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ’ (জেএমবি)-এর একটি শাখা হিসেবে বর্ণনা করেছে এনআইএ।
এনআইএর তথ্য অনুযায়ী, অসমের ১০টি, পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি এবং কেরলমের একটি স্থানে এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আইএমকে নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত উগ্রপন্থী ক্রিয়াকলাপ এবং সন্দেহভাজন আন্তঃসীমান্ত যোগসূত্রের বিষয়ে সংস্থার তদন্তেরই অংশ এই তল্লাশি অভিযান। এই অভিযানের লক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং মামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে থাকা ব্যক্তিদের কার্যকলাপ ও যোগসূত্র খতিয়ে দেখা।
তল্লাশিতে নেমে মঙ্গলবার এনআইএ অসমের বরপেটা রোডের আজাদ নগরে অবস্থিত মুস্তাফিজুর রহমানের বাসভবন থেকে তাঁকে আটক করে।
এনআইএ-র একটি দল রহমানের বাসভবনে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান চালায় এবং এসময় তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। অসম পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর গুয়াহাটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা রহমান মুক্তি পাওয়ার প্রায় দুমাসের মাথায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
সন্ত্রাসবাদী ক্রিয়াকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১৪ মার্চ বরপেটা রোডের আজাদ নগর থেকে এসটিএফ রহমানকে গ্রেফতার করেছিল। তখন তদন্তের অংশ হিসেবে তল্লাশি চালানোর সময় এসটিএফ বেশ কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করেছিল।
রহমান দীর্ঘদিন গুয়াহাটি কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন এবং প্রায় দুমাস আগে জামিনে মুক্তি পান। পরিবারের দাবি, রহমান বরপেটা রোড জামে মসজিদের ঠিক বিপরীতে একটি কাপড়ের দোকান চালান।