নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়রা পালন করলেন ইদ-উল আজহা। এদিন সকাল থেকে ইদগাহ ময়দান এবং মসজিদগুলিতে অসংখ্য লোকের ভিড় পরিলক্ষিত হয়। উজান থেকে নিম্ন অসমের বিভিন্ন প্রান্তে পালিত হল ইদ-উল আজহা। গুয়াহাটি মহানগরের বিভিন্ন মসজিদগুলিতে ভিড় ছিল চোখে পরার মতো।

গুয়াহাটি মহানগরের হাতিগাঁওয়ের ইদগাহ ময়দানে হাজার হাজার মানুষের ভিড় দেখা যায়। নমাজে অংশগ্রহণ করেন ছমরিয়ার কংগ্রেস বিধায়ক রেকিবুদ্দিন আহমেদ। সকাল ৮টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় সম্মিলিত দোয়া পর্ব। এদিন নমাজের পর সমাজে শান্তি ও সমন্বয়ের বার্তা দিলেন বিধায়ক রেকিবুদ্দিন আহমেদ।
এদিন লামডিংয়ে কড়া পুলিশি প্রহরায় নমাজ আদায় করলেন ইসলাম ধর্মাবলম্বীর লোকেরা। একইভাবে গোয়ালপাড়াতেও বিভিন্ন প্রান্তে পালিত হল ইদ-উল আজহা। ইদ উপলক্ষে সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হয় ইদগাহ এবং মসজিদগুলিকে। জেলার অগ্রণী ধর্মীয় ইসলামিক সংগঠন আঞ্জুমান ই খাদিমুল ইসলাম পরিচালিত ৪৬টি সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে ইদ-উল আজহা অনুষ্ঠিত হয়। নয়াপাড়ার সর্বজনীন ইদগাহ ময়দানে সম্মিলিত নমাজ শুরু হয় সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে। যেখানে এসসঙ্গে ১৫ হাজারেরও বেশি ইসলাম ধর্মাবলম্বী লোক নমাজ আদায় করেন। সিধাবাড়ি এলাকায় পুরুষদের পাশাপাশি মহিলাদেরও নমাজে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।
ইদের দিন সকালে বরাকের শ্রীভূমিতে টানা বৃষ্টি হয়। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই ইদগাহ ময়দানে সম্মিলিত নমাজে যোগ দেন শ্রীভূমির ইসলাম ধর্মাবলম্বীর লোকেরা। শ্রীভূমির সেটেলমেন্ট রোডের ইদগাহ ময়দানে যথেষ্ট ভিড় হয়। এদিন সকালে শিলচর সহ কাছাড় জেলার প্রতিটি ইদগাহ ময়দানে সম্মিলিত নমাজ আদায় হয়। শহরের টিকর বস্তিতে ইদের নমাজের পর সমাজে শান্তি সম্প্রীতির প্রার্থনা করেন সকলে।
শিবসাগরের আমগুড়িতে এদিন সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশ। ইদ উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি তৈরি করতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় মহিলাদের। ইদে সরকারের নতুন এসওপিকে স্বাগত জানিয়েছে আমগুড়িবাসী। শহরের নামতি চারালির ইদগাহ ময়দানে সম্মিলিত নমাজে অংশগ্রহণ করে আট থেকে আশি সকলেই।
নিম্ন অসমের বরপেটারোডের বিভিন্ন ইদগাহ ময়দানে এদিন সকাল থেকেই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিদের ভিড় দেখা যায়। নতুন পোশাক পরে সম্মিলত নমাজে অংশ নেয় আবালবৃদ্ধ বনিতা। একইভাবে কোকরাঝাড়, ধুবড়ি, মানকাচর, লক্ষ্মীপুর, গরৈমারি এলাকায় সম্মিলিত পালিত হয় ইদ-উল আজহা।