নিউজ ডেস্ক: অসমে বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ দিকে যাচ্ছে। একজন নিখোঁজ হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ৪৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। অসমে মোটামুটি পাঁচটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আশ্বাস দিয়েছেন দুর্গতদের সম্ভাব্য সবরকম সাহায্য করবে কেন্দ্রীয় সরকার।
অসমের বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে ধেমাজি জেলার জোনাই সাব-ডিভিশনে জলের স্রোতে একজন ভেসে গিয়েছে। তাঁকে উদ্ধারের জন্য তল্লাশি চলছে।
চিরাং, ধেমাজি, ডিব্রুগড়, লখিমপুর ও নলবাড়ি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। রবিবার এসব জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ২২ হাজার, সোমবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ৪৫,৫১৫।
সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ধেমাজি জেলায়। ৪১ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। এরপরই রয়েছে ডিব্রুগড়, ৪ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। চিরাংয়ে বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ হাজার মানুষ।
Amid the worsening situation, Union Home Minister Amit Shah spoke to Assam Chief Minister Himanta Biswa Sarma over the phone to review the flood situation and assured the state government of all possible support from the Centre.
বন্যা পরিস্থিতিতে দুর্গতদের সাহায্যের জন্য ধেমাজিতে রয়েছেন অসমের সরকারের জলসম্পদ মন্ত্রী সুশান্ত বরগোঁহাই ও বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী কেশব মহন্ত। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন যে দুর্গতদের সহায়তার কাজে কোনও আপস নয়। সবরকম সহায়তা করবে কেন্দ্র। হিমন্ত জানিয়েছেন, দুর্গতদের উদ্ধার এবং ত্রাণসামগ্রী বণ্টন আমাদের অগ্রাধিকার। ভবিষ্যতের জন্য ভূমিক্ষয় প্রতিরোধী ব্যবস্থা নেবে সরকার।
বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে যে দুটি জেলায় ১২টি আশ্রয় শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে রয়েছে ঘরহারা ৬৫৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দুর্গতদের চাল, ডাল, লবণ ও ভোজ্য তেল দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। অন্তত ২৫৭ গ্রাম ডুবে রয়েছে জলের তলায় আর জলের তলায় রয়েছে ৪,২৭৮ হেক্টর কৃষিজমি। অবিশ্রান্ত বৃষ্টির জেরে নদীর পাড়, রাস্তা, সেতু এবং অন্যান্য সরকারি পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নাংলামুরাঘাটে দিসাং নদী বইছে বিপদসীমার ওপরে। বন্যা পরিস্থিতিতে অন্তত ৭৬ হাজার গৃহপালিত জীবজন্তু ক্ষতিগ্রস্ত।
Next Post