পুজোয় এন্ট্রি পাস বিক্রি করে ‘দুর্নীতি’, প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ED

30

পৃথা দাশগুপ্ত,কলকাতা: পুজো প্যান্ডেলে এন্ট্রি পাস বিক্রির নামে বিপুল আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ। সাতসকালে ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কসবা, হিন্দুস্তান পার্ক, হাইল্যান্ড পার্ক-সহ কলকাতার মোট ১০ জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকেরা।

শুধু প্রাক্তন মন্ত্রীই নন, তাঁর বেশ কয়েকজন আত্মীয় ও ম্যানেজারের বাড়িতেও শুরু হয়েছে তল্লাশি। ইডি সূত্রে খবর, পুজো পরিক্রমার নামে ইউনেস্কোর ভুয়ো পাস বিক্রি করে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগ রয়েছে ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে। আজ সকালে ইডি আধিকারিকরা কয়েকটি টিমে ভাগ হয়ে বেশ কিছু জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে। ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি ছাড়াও ইভেন্ট ম্যানেজার অরিজিৎ দাশগুপ্তর পঞ্চসায়রের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। এছাড়া হিন্দুস্তান পার্ক, হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও চলছে তল্লাশি। প্রতিটি বাড়ি ঘিরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী।‌ জুন মাসে বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তার ভিত্তিতে ইডি তল্লাশি শুরু করেছে। অভিযোগ, দুর্গাপুজোর আগে পুজো পরিক্রমার জন্য ইউনেস্কোর নামে পাস বিক্রি করা হত। এর নেপথ্যে ‘মাস আর্ট’ নামে একটি সংস্থা। যার ম্যানেজার অরিজিৎ দাশগুপ্ত। এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দা সেন।

কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমার নামে ইউনেস্কোর নাম ও লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার করে চড়া দামে এন্ট্রি পাস বা টিকিট বিক্রি করা হত। তাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে ইডির অভিযোগ। প্রতারণার শিকার হয়ে জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বউবাজার থানায় আর্থিক তছরূপের মামলা দায়ের করেন জুন মাসে।